ঢাকা শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১ ফেব্রুয়ারি থেকে সব টেক্সটাইল মিল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • 149
blank

দেশের সুতা উৎপাদনকারী মিলগুলোকে রক্ষায় সরকারের ‘কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায়’ আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)।

 

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিটিএমএ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এই ঘোষণা দেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে বিটিএমএ সভাপতি বলেন, ‘আগামী ১ তারিখ থেকেই ফ্যাক্টরি বন্ধ। আমরা বন্ধ তো করবই, ব্যাংকের টাকা ফেরত দেওয়ার সক্ষমতা নেই।’

 

মালিকদের বর্তমান আর্থিক দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পুঁজি অর্ধেক হয়ে গেছে। ব্যাংকের টাকা পরিশোধের কোনো ব্যবস্থা নেই। সব সম্পত্তি বিক্রি করে দিলেও শোধ করা যাবে না।’

 

সমস্যা সমাধানে সরকারি দপ্তরে ঘুরেও কোনো সুরাহা পাননি বলে অভিযোগ করেন বিটিএমএ সভাপতি।

 

আমলাতান্ত্রিক জটিলতার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘সব মন্ত্রণালয়ের সব ডিপার্টমেন্টের কাছে গিয়েছি। তারা কেবল পিলো পাসিংয়ের মতো দায়িত্ব অন্যদের কাছে দিয়ে দিচ্ছে।’

জনপ্রিয় খবর
blank

এমএসিপিএম : যেখানে একসাথে পড়েন সামরিক, পুলিশ, আইনজীবী ও কর্পোরেট কর্মকর্তারা

১ ফেব্রুয়ারি থেকে সব টেক্সটাইল মিল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা

প্রকাশের সময় : ০৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
blank

দেশের সুতা উৎপাদনকারী মিলগুলোকে রক্ষায় সরকারের ‘কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায়’ আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)।

 

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিটিএমএ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এই ঘোষণা দেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে বিটিএমএ সভাপতি বলেন, ‘আগামী ১ তারিখ থেকেই ফ্যাক্টরি বন্ধ। আমরা বন্ধ তো করবই, ব্যাংকের টাকা ফেরত দেওয়ার সক্ষমতা নেই।’

 

মালিকদের বর্তমান আর্থিক দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পুঁজি অর্ধেক হয়ে গেছে। ব্যাংকের টাকা পরিশোধের কোনো ব্যবস্থা নেই। সব সম্পত্তি বিক্রি করে দিলেও শোধ করা যাবে না।’

 

সমস্যা সমাধানে সরকারি দপ্তরে ঘুরেও কোনো সুরাহা পাননি বলে অভিযোগ করেন বিটিএমএ সভাপতি।

 

আমলাতান্ত্রিক জটিলতার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘সব মন্ত্রণালয়ের সব ডিপার্টমেন্টের কাছে গিয়েছি। তারা কেবল পিলো পাসিংয়ের মতো দায়িত্ব অন্যদের কাছে দিয়ে দিচ্ছে।’