ঢাকা রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 30
blank

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে আগামী ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান—এমনটাই আশা করা হচ্ছে।

শুক্রবার এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন

তিনি বলেন, সরকার প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির একটি পাইলট প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছে। এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য পর্যায়ক্রমে দেশের দুই কোটি পরিবারকে মাসিক নগদ সহায়তার আওতায় আনা।

মন্ত্রী আরও জানান, আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে চার মাস মেয়াদি এই পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। প্রাথমিকভাবে ১৪টি উপজেলায় অন্তত পাঁচ সদস্যের পরিবারগুলোকে মাসে ২,৫০০ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে, যা সরাসরি মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।

পাইলট পর্বে মোট ৬,৫০০ পরিবার এই সুবিধা পাবে। সফল বাস্তবায়নের পর ধাপে ধাপে কর্মসূচিটি সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, কর্মসূচিটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে মাসিক ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা এবং বার্ষিক ব্যয় হবে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা।

জনপ্রিয় খবর
blank

নলডাঙ্গাকে ‘মডেল পৌরসভা’ গড়ার প্রত্যয় মেয়র প্রার্থী এ্যাড. জাহিদের

১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশের সময় : ১২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
blank

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে আগামী ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান—এমনটাই আশা করা হচ্ছে।

শুক্রবার এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন

তিনি বলেন, সরকার প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির একটি পাইলট প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছে। এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য পর্যায়ক্রমে দেশের দুই কোটি পরিবারকে মাসিক নগদ সহায়তার আওতায় আনা।

মন্ত্রী আরও জানান, আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে চার মাস মেয়াদি এই পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। প্রাথমিকভাবে ১৪টি উপজেলায় অন্তত পাঁচ সদস্যের পরিবারগুলোকে মাসে ২,৫০০ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে, যা সরাসরি মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।

পাইলট পর্বে মোট ৬,৫০০ পরিবার এই সুবিধা পাবে। সফল বাস্তবায়নের পর ধাপে ধাপে কর্মসূচিটি সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, কর্মসূচিটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে মাসিক ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা এবং বার্ষিক ব্যয় হবে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা।