ঢাকা শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাসিনা ও কামালের সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে শহীদ পরিবার ও আহতদের দেওয়ার আদেশ

blank

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দমনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। 

 

একই সঙ্গে এই দুই আসামির সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে সেই অর্থ জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের দেওয়ার জন্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

 

সোমবার (১৭ নভেম্বর) পৌনে তিনটার দিকে রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ।

 

এর আগে, দুপুর সাড়ে ১২টায় ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ছয়টি অধ্যায়ে ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার।

 

মামলার অভিযোগে শেখ হাসিনাকে জুলাই-আগস্টে নৃশংস ঘটনার ‘মাস্টারমাইন্ড, হুকুমদাতা ও সুপিরিয়র কমান্ডার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়।

 

অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে- গত বছরের ১৪ জুলাই গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য; হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের দমন করার নির্দেশ; রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা, রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় ছয় আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যা এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ।

 

এর মধ্যে রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় ছয় আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালের ফাঁসির আদেশ। একই সঙ্গে দুজনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়।

 

রায়ের শেষ অংশে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির পক্ষে-বিপক্ষের যুক্তিতর্কের বিবরণ পড়ে শোনানো হয়। সম্প্রতি বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার বিভিন্ন বক্তব্যের বিবরণ দেওয়া হয় এই অংশে।

blank

আওয়ামী লীগকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

হাসিনা ও কামালের সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে শহীদ পরিবার ও আহতদের দেওয়ার আদেশ

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
blank

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দমনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। 

 

একই সঙ্গে এই দুই আসামির সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে সেই অর্থ জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের দেওয়ার জন্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

 

সোমবার (১৭ নভেম্বর) পৌনে তিনটার দিকে রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ।

 

এর আগে, দুপুর সাড়ে ১২টায় ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ছয়টি অধ্যায়ে ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার।

 

মামলার অভিযোগে শেখ হাসিনাকে জুলাই-আগস্টে নৃশংস ঘটনার ‘মাস্টারমাইন্ড, হুকুমদাতা ও সুপিরিয়র কমান্ডার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়।

 

অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে- গত বছরের ১৪ জুলাই গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য; হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের দমন করার নির্দেশ; রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা, রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় ছয় আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যা এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ।

 

এর মধ্যে রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় ছয় আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালের ফাঁসির আদেশ। একই সঙ্গে দুজনের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়।

 

রায়ের শেষ অংশে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির পক্ষে-বিপক্ষের যুক্তিতর্কের বিবরণ পড়ে শোনানো হয়। সম্প্রতি বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার বিভিন্ন বক্তব্যের বিবরণ দেওয়া হয় এই অংশে।