ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদির তিন শহরে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, আহত ১৩

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 42
blank

সৌদি আরবের তিনটি শহরে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালকি জানান, সোমবার খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফ শহর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এতে ১৩ জন আহত হন। তাঁদের শরীরে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের আঘাত লেগেছে। এ ছাড়া সাতটি বাড়ি ও দুটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তুর্কি আল-মালকি হুথিদের বিরুদ্ধে বেসামরিক মানুষ ও অবকাঠামোকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ করেন। আত্মরক্ষার অধিকার অনুযায়ী এসব হামলা প্রতিহত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

এ ঘটনার পর মঙ্গলবার ভোরে জেদ্দা, ইয়ানবু, তায়েফ, আবহা, জাজান ও আলউলা শহরে সম্ভাব্য বিপদের সতর্কতা জারি করে সৌদি সিভিল ডিফেন্সের সাধারণ পরিদপ্তর। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে জানিয়ে জরুরি প্রয়োজনে ৯১১ নম্বরে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়।

এর আগে সোমবার হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র এহিয়া সারিয়া দাবি করেন, আগের ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের পাঁচটি প্রদেশে সৌদি যুদ্ধবিমান ৫৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় এফ-১৫ ও টাইফুন যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। হামলাগুলো ‘বিনা জবাবে পার পাবে না’ বলেও সতর্ক করেন হুথি মুখপাত্র।

সোমবারের শুরুতে খামিস মুশাইতের কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করে হুথিরা। একই সঙ্গে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও জোরদারের হুমকি দেয় গোষ্ঠীটি।

কয়েক বছরের আপেক্ষিক শান্তির পর জুলাইয়ের শুরু থেকে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘর্ষ আবারও তীব্র হয়েছে। ২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখল করার পর দেশটিতে যুদ্ধ শুরু হয়। পরের বছর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন জানাতে ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।

blank

চট্টগ্রামে রেলওয়ের জমি দখলমুক্ত করতে মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

সৌদির তিন শহরে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, আহত ১৩

প্রকাশের সময় : ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
blank

সৌদি আরবের তিনটি শহরে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালকি জানান, সোমবার খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফ শহর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এতে ১৩ জন আহত হন। তাঁদের শরীরে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের আঘাত লেগেছে। এ ছাড়া সাতটি বাড়ি ও দুটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তুর্কি আল-মালকি হুথিদের বিরুদ্ধে বেসামরিক মানুষ ও অবকাঠামোকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ করেন। আত্মরক্ষার অধিকার অনুযায়ী এসব হামলা প্রতিহত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

এ ঘটনার পর মঙ্গলবার ভোরে জেদ্দা, ইয়ানবু, তায়েফ, আবহা, জাজান ও আলউলা শহরে সম্ভাব্য বিপদের সতর্কতা জারি করে সৌদি সিভিল ডিফেন্সের সাধারণ পরিদপ্তর। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে জানিয়ে জরুরি প্রয়োজনে ৯১১ নম্বরে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়।

এর আগে সোমবার হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র এহিয়া সারিয়া দাবি করেন, আগের ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের পাঁচটি প্রদেশে সৌদি যুদ্ধবিমান ৫৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় এফ-১৫ ও টাইফুন যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। হামলাগুলো ‘বিনা জবাবে পার পাবে না’ বলেও সতর্ক করেন হুথি মুখপাত্র।

সোমবারের শুরুতে খামিস মুশাইতের কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করে হুথিরা। একই সঙ্গে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও জোরদারের হুমকি দেয় গোষ্ঠীটি।

কয়েক বছরের আপেক্ষিক শান্তির পর জুলাইয়ের শুরু থেকে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘর্ষ আবারও তীব্র হয়েছে। ২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখল করার পর দেশটিতে যুদ্ধ শুরু হয়। পরের বছর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন জানাতে ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।