ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাজেদা বেগম ও সোলায়মান গংদের অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন

blank

“অভিযোগকারী সাজেদা বেগম, আমার ভাতিজা সোলায়মান ও বিপ্লব হাওলাদারের চাষ করা জমির ধান আমি কাটি নাই। আমি কেটেছি আমার নিজ জমির এবং আমারই চাষ করা ধান। মোসা: সাজেদা বেগম (৬২) কর্তৃক মহিপুর থানায় দেয়া অভিযোগের সূত্র ধরে আমার বিরুদ্ধে কয়েকটি স্থানীয় গণমাধ্যমে অসত্য খবর প্রকাশ করা হয়েছে। যার কোনো সত্যতা নাই। 

আমাকে অভিযুক্ত করে যা করা হয়েছে, তা ইচ্ছাকৃতভাবে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন এবং আমার ৩০ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে কলঙ্কিত করার জন্য। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।” – মহিপুর থানার ইউসুফপুর গ্রামের বাসিন্দা, মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং মহিপুর থানা বিএনপি’র ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ আবদুল বারেক হাওলাদার এক সংবাদ সম্মেলন করে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস এবং সাক্ষী প্রমাণসহ প্রত্যাখান করেন।

 

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় মহিপুর থানার ইউসুফপুর গ্রামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আবদুল বারেক হাওলাদার আরও বলেন, “আমার চাষ করা জমির ধান কেটেছি। তাছাড়া যে জমির ধান আমি কেটে নিয়েছি, সে জমি নিয়ে গত ৫ বছরে কমপক্ষে দশ দফা মাপজোক করা হয়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ যেভাবে জমি মেপে আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছে, সে মাপ অনুযায়ী আমি সব সময় জমি চাষ করি। আমার ভাতিজারা ধান কাটার মৌসুম আসলেই এ নিয়ে একটা ঝামেলা তৈরি করে। শুধু আমাকে হয়রানী করে। কিন্তু, সর্বশেষ মাপজোক অনুযায়ী তারা নিজেদের জমির ধান ঠিকই নিজেরা সবার আগে কেটে নিয়ে যায়। আমি আপনাদের কাছে প্রশ্ন রাখলাম, তারা যদি সর্বশেষ জমির মাপ নাই মানে, তাহলে সেই মাপের সীমানা অনুযায়ী তারা আগে জমি চাষাবাদ ও ধান কেটে নিলো কেন? উল্লেখ্য আমাদের উভয় পক্ষরে এই জমির দাগ নাম্বার (বিএস-৩৭১৬) অভিন্ন।”

blank

তিনি আরও বলেন, ‘আবদুস ছাত্তার ও আয়শা বেগমের কাছে থেকে আমি সাড়ে ১৬ শতাংশ জমি ক্রয় করেছি। আব্দুস সাত্তার গং আমার মরহুমা মায়ের কাছ থেকে জমি ক্রয় বাবদ সর্বশেষ সালিশ অনুযায়ী আমার কাছ থেকে ১০ শতাংশ জমি পাওনা হয়। তাই উক্ত সাড়ে ১৬ শতাংশ জমি থেকে ১০ শতাংশ জমি বাদ দিয়ে বাকি সাড়ে ৬ শতাংশ জমি পিলারের পর আব্দুস সাত্তার গংদের জমির ভিতর থেকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং এখানে উপস্থিত সাক্ষী গনের উপস্থিতিতে আমাকে মেপে দেয়। আমাকে জমি মেপে বুঝিয়ে দেয়ার পর, সেভাবেই আমি জমি ভোগ দখল করেছি এবং কেবল আমার নিজের জমির ধানই কেটেছি।’

 

এ সময় উপস্থিত গ্রামবাসীও আব্দুল হাফেজ আব্দুল বারেক হাওলাদারের বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করে।

 

এছাড়া, মহিপুর থানায় সাজেদা বেগমের (৬২) করা অভিযোগের ২নং সাক্ষীও সংবাদ সম্মেলন স্থলে উপস্থিত হয়ে হাফেজ বারেক হাওলাদারের বক্তব্যের সত্যতা স্বীকার করেন।

 

সবশেষে, হাফেজ আব্দুল বারেক তার ভাতিজাদেরকে সকল ধরনের উশৃঙ্খলতা ও প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর প্রবণতা বাদ দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বংশের সবাইকে এক ছাতার নিছে এসে বসবাসের আহ্বান জানান। প্রয়োজনে যেকোনো  সরকারি/বেসরকারি  সার্ভেয়ার এনে পুনরায় জমি মেপে দেখার পরামর্শও দেন তিনি।

 

উল্লেখ্য, সোলায়মান হাওলাদার এবং অভিযোগকারী সাজেদা বেগমও সংবাদ সম্মেলন চলার সময় পাশেই দাঁড়িয়েছিলো। তাদের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জনপ্রিয় খবর
blank

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ‘উইনটার কার্নিভাল অ্যান্ড পৌষ পার্বণ’ অনুষ্ঠিত

সাজেদা বেগম ও সোলায়মান গংদের অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন

প্রকাশের সময় : ০১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
blank

“অভিযোগকারী সাজেদা বেগম, আমার ভাতিজা সোলায়মান ও বিপ্লব হাওলাদারের চাষ করা জমির ধান আমি কাটি নাই। আমি কেটেছি আমার নিজ জমির এবং আমারই চাষ করা ধান। মোসা: সাজেদা বেগম (৬২) কর্তৃক মহিপুর থানায় দেয়া অভিযোগের সূত্র ধরে আমার বিরুদ্ধে কয়েকটি স্থানীয় গণমাধ্যমে অসত্য খবর প্রকাশ করা হয়েছে। যার কোনো সত্যতা নাই। 

আমাকে অভিযুক্ত করে যা করা হয়েছে, তা ইচ্ছাকৃতভাবে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন এবং আমার ৩০ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে কলঙ্কিত করার জন্য। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।” – মহিপুর থানার ইউসুফপুর গ্রামের বাসিন্দা, মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং মহিপুর থানা বিএনপি’র ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ আবদুল বারেক হাওলাদার এক সংবাদ সম্মেলন করে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস এবং সাক্ষী প্রমাণসহ প্রত্যাখান করেন।

 

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় মহিপুর থানার ইউসুফপুর গ্রামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আবদুল বারেক হাওলাদার আরও বলেন, “আমার চাষ করা জমির ধান কেটেছি। তাছাড়া যে জমির ধান আমি কেটে নিয়েছি, সে জমি নিয়ে গত ৫ বছরে কমপক্ষে দশ দফা মাপজোক করা হয়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ যেভাবে জমি মেপে আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছে, সে মাপ অনুযায়ী আমি সব সময় জমি চাষ করি। আমার ভাতিজারা ধান কাটার মৌসুম আসলেই এ নিয়ে একটা ঝামেলা তৈরি করে। শুধু আমাকে হয়রানী করে। কিন্তু, সর্বশেষ মাপজোক অনুযায়ী তারা নিজেদের জমির ধান ঠিকই নিজেরা সবার আগে কেটে নিয়ে যায়। আমি আপনাদের কাছে প্রশ্ন রাখলাম, তারা যদি সর্বশেষ জমির মাপ নাই মানে, তাহলে সেই মাপের সীমানা অনুযায়ী তারা আগে জমি চাষাবাদ ও ধান কেটে নিলো কেন? উল্লেখ্য আমাদের উভয় পক্ষরে এই জমির দাগ নাম্বার (বিএস-৩৭১৬) অভিন্ন।”

blank

তিনি আরও বলেন, ‘আবদুস ছাত্তার ও আয়শা বেগমের কাছে থেকে আমি সাড়ে ১৬ শতাংশ জমি ক্রয় করেছি। আব্দুস সাত্তার গং আমার মরহুমা মায়ের কাছ থেকে জমি ক্রয় বাবদ সর্বশেষ সালিশ অনুযায়ী আমার কাছ থেকে ১০ শতাংশ জমি পাওনা হয়। তাই উক্ত সাড়ে ১৬ শতাংশ জমি থেকে ১০ শতাংশ জমি বাদ দিয়ে বাকি সাড়ে ৬ শতাংশ জমি পিলারের পর আব্দুস সাত্তার গংদের জমির ভিতর থেকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং এখানে উপস্থিত সাক্ষী গনের উপস্থিতিতে আমাকে মেপে দেয়। আমাকে জমি মেপে বুঝিয়ে দেয়ার পর, সেভাবেই আমি জমি ভোগ দখল করেছি এবং কেবল আমার নিজের জমির ধানই কেটেছি।’

 

এ সময় উপস্থিত গ্রামবাসীও আব্দুল হাফেজ আব্দুল বারেক হাওলাদারের বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করে।

 

এছাড়া, মহিপুর থানায় সাজেদা বেগমের (৬২) করা অভিযোগের ২নং সাক্ষীও সংবাদ সম্মেলন স্থলে উপস্থিত হয়ে হাফেজ বারেক হাওলাদারের বক্তব্যের সত্যতা স্বীকার করেন।

 

সবশেষে, হাফেজ আব্দুল বারেক তার ভাতিজাদেরকে সকল ধরনের উশৃঙ্খলতা ও প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর প্রবণতা বাদ দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বংশের সবাইকে এক ছাতার নিছে এসে বসবাসের আহ্বান জানান। প্রয়োজনে যেকোনো  সরকারি/বেসরকারি  সার্ভেয়ার এনে পুনরায় জমি মেপে দেখার পরামর্শও দেন তিনি।

 

উল্লেখ্য, সোলায়মান হাওলাদার এবং অভিযোগকারী সাজেদা বেগমও সংবাদ সম্মেলন চলার সময় পাশেই দাঁড়িয়েছিলো। তাদের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।