ঢাকা শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে শোকজ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৪:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 117
blank

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে এবার শোকজ করেছেন আদালত। তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় তাকে সশরীরে তাকে আদালতে হাজির হয়ে কারণ ব্যাখ্যা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

 

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

এদিন আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দেননি। পরে প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী ১ এপ্রিল নির্ধারণ করেন আদালত। এ নিয়ে আলোচিত এই সাংবাদিক দম্পতির হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৪ বার পেছালো।

 

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

 

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক এসআই। হত্যার চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার হস্তান্তর করা হয় র‌্যাবের কাছে।

 

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর দম্পতি সাগর ও রুনি হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশও দেওয়া হয়। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত থেকে র‌্যাবকে সরিয়ে দেওয়ারও আদেশ দেওয়া হয়।

 

পরবর্তীতে গত বছরের ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগ থেকে টাস্কফোর্স গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়।

 

আলোচিত এই মামলার আসামিরা হলেন- রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের বন্ধু তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর জামিনে রয়েছে। পলাশ রুদ্র পাল জামিনে গিয়ে পলাতক হয়েছেন। অপর আসামিরা কারাগারে রয়েছেন।

জনপ্রিয় খবর
blank

সৈয়দ জাফর সাজ্জাদ খিচ্চুর ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে জাসদের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে শোকজ

প্রকাশের সময় : ০৪:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
blank

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে এবার শোকজ করেছেন আদালত। তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় তাকে সশরীরে তাকে আদালতে হাজির হয়ে কারণ ব্যাখ্যা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

 

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

এদিন আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দেননি। পরে প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী ১ এপ্রিল নির্ধারণ করেন আদালত। এ নিয়ে আলোচিত এই সাংবাদিক দম্পতির হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৪ বার পেছালো।

 

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

 

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক এসআই। হত্যার চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার হস্তান্তর করা হয় র‌্যাবের কাছে।

 

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর দম্পতি সাগর ও রুনি হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশও দেওয়া হয়। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত থেকে র‌্যাবকে সরিয়ে দেওয়ারও আদেশ দেওয়া হয়।

 

পরবর্তীতে গত বছরের ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগ থেকে টাস্কফোর্স গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়।

 

আলোচিত এই মামলার আসামিরা হলেন- রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের বন্ধু তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর জামিনে রয়েছে। পলাশ রুদ্র পাল জামিনে গিয়ে পলাতক হয়েছেন। অপর আসামিরা কারাগারে রয়েছেন।