ঢাকা মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানো বন্ধের নির্দেশ, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

blank

স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানো বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল। নির্দেশ অমান্য করে কোনো শিক্ষক প্রাইভেট পড়ালে তার এমপিও বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।

শনিবার (৮ আগস্ট) নাটোরের লালপুর উপজেলার বরমহাটি সমবায় উচ্চ বিদ্যালয় ও বিলায়েত খান উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ নির্দেশ দেন।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের স্কুলের পড়া স্কুলেই শেষ করাতে হবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করতে হবে। স্কুলের কোনো শিক্ষক প্রাইভেট পড়ালে তাঁর এমপিও বন্ধ করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি ওই স্কুলের উন্নয়নে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হবে না।’

তিনি বলেন, বিগত সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিল, যাতে কেউ কোনো কথা বলতে না পারে। বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সভায় এবি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবেদ আলী মণ্ডলের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পু, সাবেক পৌর মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মোলাম, বিলমাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক সিদ্দিক আলী মিষ্টু এবং বিলায়েত খান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানো বন্ধের নির্দেশ, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৫:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬
blank

স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানো বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল। নির্দেশ অমান্য করে কোনো শিক্ষক প্রাইভেট পড়ালে তার এমপিও বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।

শনিবার (৮ আগস্ট) নাটোরের লালপুর উপজেলার বরমহাটি সমবায় উচ্চ বিদ্যালয় ও বিলায়েত খান উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ নির্দেশ দেন।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের স্কুলের পড়া স্কুলেই শেষ করাতে হবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করতে হবে। স্কুলের কোনো শিক্ষক প্রাইভেট পড়ালে তাঁর এমপিও বন্ধ করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি ওই স্কুলের উন্নয়নে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হবে না।’

তিনি বলেন, বিগত সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিল, যাতে কেউ কোনো কথা বলতে না পারে। বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সভায় এবি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবেদ আলী মণ্ডলের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পু, সাবেক পৌর মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মোলাম, বিলমাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক সিদ্দিক আলী মিষ্টু এবং বিলায়েত খান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।