ঢাকা শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৩ আসনের এমপি পদপ্রার্থীকে কেন্দ্র করে গণসংযোগ

blank

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পত্তন ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে একটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

 

সোমবার (১৭ নভেম্বর) পত্তন ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৩ সংসদীয় আসনের মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী অধ্যাপক জোনায়েদ হাসানকে কেন্দ্র করে এ বৈঠকটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক উৎসাহ–উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

 

অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ছাড়াও এলাকার নানান শ্রেণী–পেশার মানুষ উপস্থিত হয়ে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন।

blank

সমাবেশে বক্তারা বলেন, “জাতীয় রাজনীতিতে বহু নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলেও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের দীর্ঘ ইতিহাসে এক টাকাও দুর্নীতির কলঙ্কে দাগিত হয়নি। দলীয় অবস্থান এবং আদর্শের জায়গায় তারা সবসময়ই স্বচ্ছতা বজায় রেখেছে।”

 

বক্তারা আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে কারা চাঁদাবাজি, স্ট্যান্ড দখল, মামলা–বাণিজ্য ও সাধারণ জনগণকে হয়রানির মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা দাবি করেন, এসব কর্মকাণ্ডই প্রমাণ করে দেশের সুশাসন, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে একটি নৈতিক ও দৃঢ় নেতৃত্ব প্রয়োজন।

 

উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বক্তারা আহ্বান জানান, “আগামীর বাংলাদেশকে যদি দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও লুটপাটমুক্ত দেখতে চান, তাহলে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের সংসদে পাঠান। আমরা অঙ্গীকার করছি—জনগণের একটি টাকাও অপচয় হবে না।”

 

উঠান বৈঠকে এলাকায় শান্তিপূর্ণ গণসংযোগ, পরস্পরের ভাববিনিময় এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পত্তন ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারণা আরও গতি পায় বলে জানান আয়োজকরা।

জনপ্রিয় খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৩ আসনের এমপি পদপ্রার্থীকে কেন্দ্র করে গণসংযোগ

প্রকাশের সময় : ০৭:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
blank

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পত্তন ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে একটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

 

সোমবার (১৭ নভেম্বর) পত্তন ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৩ সংসদীয় আসনের মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী অধ্যাপক জোনায়েদ হাসানকে কেন্দ্র করে এ বৈঠকটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক উৎসাহ–উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

 

অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ছাড়াও এলাকার নানান শ্রেণী–পেশার মানুষ উপস্থিত হয়ে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন।

blank

সমাবেশে বক্তারা বলেন, “জাতীয় রাজনীতিতে বহু নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলেও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের দীর্ঘ ইতিহাসে এক টাকাও দুর্নীতির কলঙ্কে দাগিত হয়নি। দলীয় অবস্থান এবং আদর্শের জায়গায় তারা সবসময়ই স্বচ্ছতা বজায় রেখেছে।”

 

বক্তারা আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে কারা চাঁদাবাজি, স্ট্যান্ড দখল, মামলা–বাণিজ্য ও সাধারণ জনগণকে হয়রানির মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা দাবি করেন, এসব কর্মকাণ্ডই প্রমাণ করে দেশের সুশাসন, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে একটি নৈতিক ও দৃঢ় নেতৃত্ব প্রয়োজন।

 

উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বক্তারা আহ্বান জানান, “আগামীর বাংলাদেশকে যদি দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও লুটপাটমুক্ত দেখতে চান, তাহলে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের সংসদে পাঠান। আমরা অঙ্গীকার করছি—জনগণের একটি টাকাও অপচয় হবে না।”

 

উঠান বৈঠকে এলাকায় শান্তিপূর্ণ গণসংযোগ, পরস্পরের ভাববিনিময় এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পত্তন ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারণা আরও গতি পায় বলে জানান আয়োজকরা।