ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান অডিটোরিয়ামের সেমিনার কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এছাড়াও, আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জায়ীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এর নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভায় ওয়াসিম আহমেদ অনিক এর সঞ্চালনায় প্রধান অতথি, বিশেষ অতিথি ও অন্যন্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, জিয়াউর রহমান অর্থনীতি ও রাজনীতিকে বহু দলীয় গণতন্ত্রের মাধ্যম করেছেন। আপনারা জানেন, অর্থনীতি হচ্ছে তৈরি পোশাকশিল্প এবং রেমিটেন্স উপার্জনের পথ উন্মুক্ত করার মাধ্যম। আপনারা জানেন, উনি ১৯৭৭ সনের ২০ শে এপ্রিল উনিশ দফা করেছিলেন। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট মাথায় রেখে খাল খনন করে, পানি আটকে রেখে এবং উনিশটি পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই দেশের উন্নয়নের চেষ্টা করেছেন। এটা গল্প নয়, তিনি পররাষ্ট্রনীতিতেও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন। ১৯৭৭ সনে তিনি পাঁচ বছর মেয়াদী অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি বাস্তবায়ন করেন। এইজন্যই বলা হয়, জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতি ছিল অত্যন্ত বাস্তবমুখী। জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতি আজও প্রশংসিত হচ্ছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আমরা সংগ্রাম করেছি। উনি জাপানের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে নির্বাচন করে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ করেছিলেন।
আমি বিশ্বাস করি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল যেভাবে প্রমাণ করেছে তারা কোন ধরনের অপকর্মে জড়িত নয়, কোন চাঁদাবাজির কাজে নেই, কোনো কিছুতে নেই। গর্বে আমার বুক অনেক বড় হয়ে যায়, আর সবাইকে সেটা বলি।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও আলোচনা সভার সভাপতি জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় আলোচনা শোনার অভ্যাস না থাকায় অনেকে অনুষ্ঠান ছেড়ে উঠে যায়। শুরুতে এ কক্ষ কানায় কানার পূর্ণ ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে যে জাকসু নির্বাচন হয়েছে তা একটি জোড়াতালির নির্বাচন। আমি ছাত্রদলের আহ্বায়ক এখনো কোন প্রকল্প অফিস চিনিনা। আমরা কোন অন্যায় অনিয়মের সাথে জড়িত নই। জাকসু নির্বাচনে পরাজয়ের পেছনে প্রশাসনের অসহযোগিতা দায়ি।

জাবি প্রতিনিধি 























