ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর, প্রতিশোধ হিসেবে বাহরাইনে অবস্থিত একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে বড় ধরনের হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আইআরজিসি-র এক বিবৃতিতে জানানো হয়, তাদের নৌবাহিনী বাহরাইনের শেখ ইসা এলাকার মার্কিন ঘাঁটিতে ২০টি ড্রোন এবং ৩টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
হামলায় ওই ঘাঁটির প্রধান কমান্ড সদর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে বলে আইআরজিসি দাবি করেছে।
ইরান এখন পর্যন্ত এই দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ দেয়নি এবং বাহরাইন সরকারও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে ইরান এই পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে। শনিবারের সেই নজিরবিহীন হামলাতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং তার পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হন, যা এই সংঘাতকে চরম আকার ধারণ করিয়েছে।
সংঘাতের আঁচ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে।
রাজধানী রিয়াদের কূটনৈতিক এলাকায় বিস্ফোরণ ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে, রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন আঘাত হানার পর সেখানে আগুন ধরে যায়।
কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডে আঘাত হানার আগে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক 











