ঢাকা বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বর্ষায় তুলসীগঙ্গায় নৌভ্রমণ, প্রকৃতির টানে ছুটছেন ভ্রমণপিপাসুরা

blank

বর্ষার পানিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের তুলসীগঙ্গা নদী। টইটম্বুর নদীতে ঢেউ, দুই পাড়জুড়ে সবুজের সমারোহ। আর সেই সৌন্দর্য উপভোগ করতে নৌকা নিয়ে নদীপথে ছুটছেন ভ্রমণপিপাসুরা।

শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সকালে আক্কেলপুর পৌর শহরের কাঁচাবাজারসংলগ্ন তুলসীগঙ্গা নদীর ঘাট থেকে পাটুল ও চলনবিলের উদ্দেশে নৌকা ছেড়ে যায়। পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের নিয়ে বিভিন্ন বয়সী মানুষ এসব নৌকায় ঘুরতে বের হন।

নৌকা যতই এগিয়ে যায়, ততই পেছনে পড়ে থাকে শহরের ব্যস্ততা। সামনে দেখা যায় পানি, সবুজ আর গ্রামবাংলার চেনা প্রকৃতি। কেউ গল্প করছেন, কেউ গান গাইছেন, আবার কেউ মুঠোফোনে ধারণ করছেন বর্ষার সৌন্দর্য।

আক্কেলপুরের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম বলেন, বর্ষায় নদীর সৌন্দর্য অন্যরকম লাগে। নৌকায় বসে দুই পাশের দৃশ্য দেখতে দেখতে সময় কেটে যায়। তাই প্রতিবছর সুযোগ পেলেই বন্ধুদের নিয়ে নৌভ্রমণে বের হন তিনি।

বর্ষায় তুলসীগঙ্গা নদীতে পানি বাড়ায় নৌকা চলাচলও স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। পাটুলের দিকে যেতে নদীর দুই পাশে দেখা যায় পানিতে ডুবে থাকা ফসলের মাঠ, গাছপালা ও গ্রামীণ জনপদ। কোথাও জেলেরা মাছ ধরছেন, কোথাও নদীর পাড়ে গরু চরছে।

জয়পুরহাট আদালতের আইনজীবী শহীদুল ইসলাম বলেন, শহরের ব্যস্ততা থেকে দূরে গিয়ে প্রকৃতির কাছে সময় কাটাতে নৌভ্রমণ বেশ ভালো লাগে। নদীর বাতাস, পানির ঢেউ আর চারপাশের সবুজ মিলিয়ে অন্যরকম প্রশান্তি পাওয়া যায়।

তুলসীগঙ্গা পেরিয়ে ছোট যমুনা ও আত্রাই নদের পথ ধরে নৌকা এগিয়ে যায় চলনবিলের দিকে। বর্ষায় নদ-নদী পানিতে ভরে ওঠায় নৌপথে চলাচলও সহজ হয়। বিস্তীর্ণ জলরাশির মাঝে ছইয়ের নিচে বসে গল্প, আড্ডা, গান ও ছবি তোলায় সময় কাটান ভ্রমণকারীরা।

ভ্রমণপিপাসুদের এই আগ্রহকে কেন্দ্র করে বড় নৌকা তৈরি করে ভাড়ায় চালাচ্ছেন আক্কেলপুরের কেশবপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা প্রবীণ চৌধুরী। প্রায় ছয় লাখ টাকা ব্যয়ে তৈরি নৌকাটির নির্মাণকাজ গত জুনে শেষ হয়।

তিনি জানান, মানুষ নৌকা ভাড়া নিয়ে চলনবিল, আত্রাই স্লুইসগেট, ত্রিমুহনী ও নান্দাসবিলসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যাচ্ছেন।

বর্ষায় তুলসীগঙ্গায় নৌভ্রমণ, প্রকৃতির টানে ছুটছেন ভ্রমণপিপাসুরা

প্রকাশের সময় : ০২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
blank

বর্ষার পানিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের তুলসীগঙ্গা নদী। টইটম্বুর নদীতে ঢেউ, দুই পাড়জুড়ে সবুজের সমারোহ। আর সেই সৌন্দর্য উপভোগ করতে নৌকা নিয়ে নদীপথে ছুটছেন ভ্রমণপিপাসুরা।

শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সকালে আক্কেলপুর পৌর শহরের কাঁচাবাজারসংলগ্ন তুলসীগঙ্গা নদীর ঘাট থেকে পাটুল ও চলনবিলের উদ্দেশে নৌকা ছেড়ে যায়। পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের নিয়ে বিভিন্ন বয়সী মানুষ এসব নৌকায় ঘুরতে বের হন।

নৌকা যতই এগিয়ে যায়, ততই পেছনে পড়ে থাকে শহরের ব্যস্ততা। সামনে দেখা যায় পানি, সবুজ আর গ্রামবাংলার চেনা প্রকৃতি। কেউ গল্প করছেন, কেউ গান গাইছেন, আবার কেউ মুঠোফোনে ধারণ করছেন বর্ষার সৌন্দর্য।

আক্কেলপুরের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম বলেন, বর্ষায় নদীর সৌন্দর্য অন্যরকম লাগে। নৌকায় বসে দুই পাশের দৃশ্য দেখতে দেখতে সময় কেটে যায়। তাই প্রতিবছর সুযোগ পেলেই বন্ধুদের নিয়ে নৌভ্রমণে বের হন তিনি।

বর্ষায় তুলসীগঙ্গা নদীতে পানি বাড়ায় নৌকা চলাচলও স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। পাটুলের দিকে যেতে নদীর দুই পাশে দেখা যায় পানিতে ডুবে থাকা ফসলের মাঠ, গাছপালা ও গ্রামীণ জনপদ। কোথাও জেলেরা মাছ ধরছেন, কোথাও নদীর পাড়ে গরু চরছে।

জয়পুরহাট আদালতের আইনজীবী শহীদুল ইসলাম বলেন, শহরের ব্যস্ততা থেকে দূরে গিয়ে প্রকৃতির কাছে সময় কাটাতে নৌভ্রমণ বেশ ভালো লাগে। নদীর বাতাস, পানির ঢেউ আর চারপাশের সবুজ মিলিয়ে অন্যরকম প্রশান্তি পাওয়া যায়।

তুলসীগঙ্গা পেরিয়ে ছোট যমুনা ও আত্রাই নদের পথ ধরে নৌকা এগিয়ে যায় চলনবিলের দিকে। বর্ষায় নদ-নদী পানিতে ভরে ওঠায় নৌপথে চলাচলও সহজ হয়। বিস্তীর্ণ জলরাশির মাঝে ছইয়ের নিচে বসে গল্প, আড্ডা, গান ও ছবি তোলায় সময় কাটান ভ্রমণকারীরা।

ভ্রমণপিপাসুদের এই আগ্রহকে কেন্দ্র করে বড় নৌকা তৈরি করে ভাড়ায় চালাচ্ছেন আক্কেলপুরের কেশবপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা প্রবীণ চৌধুরী। প্রায় ছয় লাখ টাকা ব্যয়ে তৈরি নৌকাটির নির্মাণকাজ গত জুনে শেষ হয়।

তিনি জানান, মানুষ নৌকা ভাড়া নিয়ে চলনবিল, আত্রাই স্লুইসগেট, ত্রিমুহনী ও নান্দাসবিলসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যাচ্ছেন।