ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বক্স অফিসে ঝড় তোলা ‘ধুরন্ধর’ ৬ দেশে নিষিদ্ধ!

blank

গত ৫ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘ধুরন্ধর’ এরই মধ্যে ৩০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলিউড হাঙ্গামা জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত বক্স অফিসে সিনেমাটির আয় ২৮৩.৮১ কোটি টাকা।

 

তবে এমন সুখবরের মাঝেই দুঃসংবাদ পেয়েছেন লেখক, পরিচালক ও প্রযোজক আদিত্য ধর। তার পরিচালিত সিনেমাটি মধ্যপ্রাচ্যের ৬টি দেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

 

‘ধুরন্ধর’ সিনেমা নিষিদ্ধ করা দেশগুলো হলো বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ‘পাকিস্তানবিরোধী থিম’-এর অভিযোগ থাকায় সিনেমাটিকে মুক্তির অনুমতি দেয়নি দেশগুলো।

 

স্পাই থ্রিলারধর্মী ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা নির্মিত হয়েছে হামজা আলি মাজারি নামের এক রহস্যময় চরিত্রকে কেন্দ্র করে। সিনেমায় সংসদ বিস্ফোরণ, মুম্বাইয়ের তাজ হোটেল হামলা, বিমান ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাগুলো উঠে এসেছে।

 

রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হওয়ায় সিনেমাটি নিজ দেশের প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত করতে আপত্তি তোলে দেশগুলো। এর আগে, একই কারণে একাধিক হিন্দি সিনেমা উপসাগরীয় অঞ্চলে মুক্তির ছাড়পত্র পায়নি।

জনপ্রিয় খবর
blank

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ‘উইনটার কার্নিভাল অ্যান্ড পৌষ পার্বণ’ অনুষ্ঠিত

বক্স অফিসে ঝড় তোলা ‘ধুরন্ধর’ ৬ দেশে নিষিদ্ধ!

প্রকাশের সময় : ০৮:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
blank

গত ৫ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘ধুরন্ধর’ এরই মধ্যে ৩০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলিউড হাঙ্গামা জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত বক্স অফিসে সিনেমাটির আয় ২৮৩.৮১ কোটি টাকা।

 

তবে এমন সুখবরের মাঝেই দুঃসংবাদ পেয়েছেন লেখক, পরিচালক ও প্রযোজক আদিত্য ধর। তার পরিচালিত সিনেমাটি মধ্যপ্রাচ্যের ৬টি দেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

 

‘ধুরন্ধর’ সিনেমা নিষিদ্ধ করা দেশগুলো হলো বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ‘পাকিস্তানবিরোধী থিম’-এর অভিযোগ থাকায় সিনেমাটিকে মুক্তির অনুমতি দেয়নি দেশগুলো।

 

স্পাই থ্রিলারধর্মী ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা নির্মিত হয়েছে হামজা আলি মাজারি নামের এক রহস্যময় চরিত্রকে কেন্দ্র করে। সিনেমায় সংসদ বিস্ফোরণ, মুম্বাইয়ের তাজ হোটেল হামলা, বিমান ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাগুলো উঠে এসেছে।

 

রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হওয়ায় সিনেমাটি নিজ দেশের প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত করতে আপত্তি তোলে দেশগুলো। এর আগে, একই কারণে একাধিক হিন্দি সিনেমা উপসাগরীয় অঞ্চলে মুক্তির ছাড়পত্র পায়নি।