পাবনা জেলায় ফরিদপুর উপজেলার রাজবাড়িতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুব হাসান এর নেতৃত্বে পাঠাগারে স্থাপন করা হয়েছে।
মানুষের জিজ্ঞাসা অনন্ত এবং কৌতুহলও অসীম। তার এই অনন্ত জিজ্ঞাসা, অন্তহীন জ্ঞান ধরে রাখে বই। আর বই সংগৃহীত থাকে পাঠাগারে। পাঠাগার হলো সাহিত্য, ইতিহাস, ধর্ম, দর্শন, বিজ্ঞান ইত্যাদির এক বিশাল সংগ্রহশালা।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় “এখানে ভাষা চুপ করিয়া আছে, প্রবাহ স্থির হইয়া আছে, মানবাত্মার অমর আলোক কালো অক্ষরের শৃঙ্খলে কাগজের কারাগারে বাঁধা পড়িয়া আছে।”
পাঠাগারের বইয়ের ভাণ্ডারে সঞ্চিত হয়ে আছে মানবসভ্যতার শত শত বছরের ইতিহাসের হৃদয়-স্পন্দন। ফরিদপুর উপজেলার সকল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা যেকোনো ধরনের বই পাঠাগার থেকে নিয়ে পড়তে পারবে।
পাঠাগারের প্রতিশব্দ হচ্ছে পুস্তকাগার, গ্রন্থাগার বা লাইব্রেরি। শঙ্খের মধ্যে যেমন সমুদ্রের শব্দ শোনা যায়, পাঠাগারের মধ্যে তেমনি মানবসভ্যতার ইতিহাসের উত্থান-পতনের ধ্বনি শোনা যায়। পাঠক এখানে স্পর্শ পায় সভ্যতার এক শাশ্বত ধারার, অনুভব করে মহাসমুদ্রের শত শত বছরের কল্লোল ধ্বনি, শুনতে পায় জগতের এক মহা ঐকতানের সুর। তাই পাঠাগার বা লাইব্রেরি হচ্ছে মানুষের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সেতুবন্ধন।
এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা।

মোঃ আরিফুল ইসলাম, ফরিদপুর উপজেলা 



















