ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তান-সৌদির প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্ত হতে চায় তুরস্ক

blank

পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে থাকা পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে তুরস্ক যুক্ত হতে আগ্রহী বলে জানিয়েছে ব্লুমবার্গ। এতে তিন দেশ মিলে একটি নতুন ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা জোট গড়ে উঠতে পারে, যা মধ্যপ্রাচ্য ও আশপাশের অঞ্চলের শক্তির ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুরস্কের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে এবং শিগগিরই চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

 

গত বছরের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করেন। এতে বলা আছে, এক দেশের ওপর হামলা হলে তা দুই দেশের ওপর হামলা হিসেবে ধরা হবে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্কের স্বার্থ এখন দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সঙ্গে মিলছে। যুক্তরাষ্ট্র ও নেটোর ভূমিকা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ায় তুরস্ক নিজস্ব নিরাপত্তা জোট শক্তিশালী করতে চাইছে।

 

এই জোট বাস্তবায়িত হলে ইরান, ইসরায়েল, ভারত ও আফগানিস্তানের জন্য নতুন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ‘উইনটার কার্নিভাল অ্যান্ড পৌষ পার্বণ’ অনুষ্ঠিত

পাকিস্তান-সৌদির প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্ত হতে চায় তুরস্ক

প্রকাশের সময় : ০৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
blank

পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে থাকা পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে তুরস্ক যুক্ত হতে আগ্রহী বলে জানিয়েছে ব্লুমবার্গ। এতে তিন দেশ মিলে একটি নতুন ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা জোট গড়ে উঠতে পারে, যা মধ্যপ্রাচ্য ও আশপাশের অঞ্চলের শক্তির ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুরস্কের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে এবং শিগগিরই চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

 

গত বছরের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করেন। এতে বলা আছে, এক দেশের ওপর হামলা হলে তা দুই দেশের ওপর হামলা হিসেবে ধরা হবে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্কের স্বার্থ এখন দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সঙ্গে মিলছে। যুক্তরাষ্ট্র ও নেটোর ভূমিকা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ায় তুরস্ক নিজস্ব নিরাপত্তা জোট শক্তিশালী করতে চাইছে।

 

এই জোট বাস্তবায়িত হলে ইরান, ইসরায়েল, ভারত ও আফগানিস্তানের জন্য নতুন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।