ঢাকা সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরপারে চলে গেলেন সাবেক সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমান তালুকদার

blank

বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মতিউর রহমান তালুকদার (৯০) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

 

সোমবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ঢাকা এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে হৃদরোগসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।

 

রাজনৈতিক জীবনে নানা উত্থান–পতনের মধ্য দিয়ে যাওয়া মতিউর রহমান তালুকদার প্রথম আলোচনায় আসেন ১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। সে সময় জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। পরবর্তীতে তিনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

 

জানা যায়, ১৯৯১ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী মজিবুর রহমান তালুকদারের কাছে স্বল্প ব্যবধানে পরাজিত হন। আর ২০০১ সালের নির্বাচনে মজিবুর রহমান তালুকদার নির্বাচনী জনসভায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর ওই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন শেখ হাসিনা। সেই নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র সাড়ে তিন হাজার ভোটে পরাজিত হন মতিউর রহমান তালুকদার। পরবর্তীতে, শেখ হাসিনা তিনটি আসনে জয়ের পর বরগুনা-৩ আসন ছেড়ে দিলে অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটে জয়ী হন মতিউর রহমান তালুকদার। এরপর তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

আসন পুনর্নির্ধারণের পর তিনি বর্তমানে বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। কিন্তু, তি‌নি ম‌নোনয়নে ব‌ঞ্চিত হন। মতিউর রহমান তালুকদারের মৃত্যুতে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

ইসলামী আন্দোলন থেকে বহিষ্কৃত নেতাকর্মীদের বিএনপি প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেনকে সমর্থন

পরপারে চলে গেলেন সাবেক সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমান তালুকদার

প্রকাশের সময় : ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
blank

বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মতিউর রহমান তালুকদার (৯০) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

 

সোমবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ঢাকা এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে হৃদরোগসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।

 

রাজনৈতিক জীবনে নানা উত্থান–পতনের মধ্য দিয়ে যাওয়া মতিউর রহমান তালুকদার প্রথম আলোচনায় আসেন ১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। সে সময় জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। পরবর্তীতে তিনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

 

জানা যায়, ১৯৯১ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী মজিবুর রহমান তালুকদারের কাছে স্বল্প ব্যবধানে পরাজিত হন। আর ২০০১ সালের নির্বাচনে মজিবুর রহমান তালুকদার নির্বাচনী জনসভায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর ওই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন শেখ হাসিনা। সেই নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র সাড়ে তিন হাজার ভোটে পরাজিত হন মতিউর রহমান তালুকদার। পরবর্তীতে, শেখ হাসিনা তিনটি আসনে জয়ের পর বরগুনা-৩ আসন ছেড়ে দিলে অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটে জয়ী হন মতিউর রহমান তালুকদার। এরপর তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

আসন পুনর্নির্ধারণের পর তিনি বর্তমানে বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। কিন্তু, তি‌নি ম‌নোনয়নে ব‌ঞ্চিত হন। মতিউর রহমান তালুকদারের মৃত্যুতে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।