ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নীলফামারী পৌরসভার উদ্যোগে কসাইখানা স্থাপন

blank

শহরের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে নীলফামারী পৌরসভার উদ্যোগে একটি আধুনিক কসাইখানা স্থাপন করা হয়েছে। 

 

পৌর এলাকার নির্ধারিত স্থানে নির্মিত এই কসাইখানার মাধ্যমে অবৈধভাবে পশু জবাই বন্ধের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ তৈরি হবে।

 

পৌরসভা সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শহরে উন্মুক্ত স্থানে পশু জবাই ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। নতুন কসাইখানাটি চালু হলে নির্দিষ্ট সময়সূচি ও বিধিমালা অনুসরণ করে পশু জবাই করা হবে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হবে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে শহরের পরিবেশ যেমন পরিচ্ছন্ন থাকবে, তেমনি ভোক্তারা নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস পাবেন। পৌর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, কসাইখানাটি চালুর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে এবং পৌর রাজস্ব বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে।

 

এ বিষয়ে পৌরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়, পর্যায়ক্রমে কসাইখানার ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করা হবে এবং সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় খবর
blank

বরিশালে ‘মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি ঘোষণা ও দায়িত্ব হস্তান্তর

নীলফামারী পৌরসভার উদ্যোগে কসাইখানা স্থাপন

প্রকাশের সময় : ০৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
blank

শহরের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে নীলফামারী পৌরসভার উদ্যোগে একটি আধুনিক কসাইখানা স্থাপন করা হয়েছে। 

 

পৌর এলাকার নির্ধারিত স্থানে নির্মিত এই কসাইখানার মাধ্যমে অবৈধভাবে পশু জবাই বন্ধের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ তৈরি হবে।

 

পৌরসভা সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শহরে উন্মুক্ত স্থানে পশু জবাই ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। নতুন কসাইখানাটি চালু হলে নির্দিষ্ট সময়সূচি ও বিধিমালা অনুসরণ করে পশু জবাই করা হবে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হবে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে শহরের পরিবেশ যেমন পরিচ্ছন্ন থাকবে, তেমনি ভোক্তারা নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস পাবেন। পৌর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, কসাইখানাটি চালুর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে এবং পৌর রাজস্ব বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে।

 

এ বিষয়ে পৌরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়, পর্যায়ক্রমে কসাইখানার ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করা হবে এবং সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।