ঢাকা রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নলডাঙ্গাকে ‘মডেল পৌরসভা’ গড়ার প্রত্যয় মেয়র প্রার্থী এ্যাড. জাহিদের

blank

নাটোরের নলডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়তে চান বিশিষ্ট সমাজসেবক, বিএনপি নেতা ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ্যাডভোকেট এস. এম. জাহিদুল ইসলাম (জাহিদ)। আসন্ন নির্বাচনে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী এই নেতা ইতিমধ্যেই নিজের প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করে জোর প্রস্তুতি শুরু করেছেন। একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য পৌরসভা গড়ার প্রত্যয়ে তিনি দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন।

দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে নিজেকে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রেখেছেন এ্যাড. জাহিদ। তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ‘প্রপান ফিলিং স্টেশন’-এর অর্থায়নে প্রতি বছর শত শত দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার, অসহায়দের মাঝে খাদ্যসামগ্রী, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহায়তা ও নিয়মিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে আসছেন তিনি। জনকল্যাণমুখী এসব উদ্যোগের কারণে নলডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে তার একটি অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন (ক্লিন ইমেজ) ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছে।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এ্যাড. জাহিদের পিতা রেলওয়েতে কর্মরত অবস্থায় জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। মূলত পিতার রাজনৈতিক আদর্শ ধারণ করেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নীতিতে উজ্জীবিত হন তিনি। স্কুল জীবন থেকেই জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী জাহিদ পরবর্তীতে ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রদলের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে রাজপথে ভূমিকা রাখেন। এরপর যুবদলের রাজনীতির পাশাপাশি বর্তমানে তিনি ‘জিয়া মঞ্চ’ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক (২০২২ সাল থেকে চলমান) হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। ঢাকায় পড়াশোনা ও বসবাসের সুবাদে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন।

স্থানীয় রাজনীতি সচেতন মহল ও সাধারণ পৌরবাসীর মতে, একজন উচ্চশিক্ষিত, সৎ ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে সর্বমহলে তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও তাকে একজন শক্তিশালী, জনপ্রিয় ও পরিচ্ছন্ন প্রার্থী হিসেবেই বিবেচনা করছেন। নাগরিকরা মনে করছেন, তিনি প্রার্থী হলে তার বিজয়ী হওয়ার যথেষ্ট উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

নিজের নির্বাচনী ভাবনা ও প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে এ্যাডভোকেট জাহিদুল ইসলাম বলেন, “আগামী পৌর নির্বাচনে আমি বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। দল যদি আমাকে মূল্যায়ন করে মনোনয়ন দেয় এবং আমি যদি নির্বাচিত হই, তবে পৌরবাসীকে সাথে নিয়ে নলডাঙ্গাকে একটি আধুনিক ও ‘মডেল পৌরসভা’ হিসেবে উন্নীত করব ইনশাআল্লাহ।”

তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে আরও বলেন, “শিক্ষার বিস্তার, শতভাগ স্যানিটেশন, বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থা, মাদক নির্মূল এবং সকলের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। আমার ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই; আমি আমার সকল যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে নলডাঙ্গা পৌরসভার অবহেলিত মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করতে চাই। মৃত্যুর আগে নলডাঙ্গা পৌরবাসীর জন্য ভালো কিছু করে যাওয়াই আমার একমাত্র স্বপ্ন। এই মহতী যাত্রায় আমি সকল স্তরের পৌরবাসীর আন্তরিক দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”

blank

দীর্ঘ ১১ বছর আত্মগোপনে, অবশেষে পুলিশের জালে গ্রেফতার ডাকাতি মামলার আসামি

নলডাঙ্গাকে ‘মডেল পৌরসভা’ গড়ার প্রত্যয় মেয়র প্রার্থী এ্যাড. জাহিদের

প্রকাশের সময় : ১১:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
blank

নাটোরের নলডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়তে চান বিশিষ্ট সমাজসেবক, বিএনপি নেতা ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ্যাডভোকেট এস. এম. জাহিদুল ইসলাম (জাহিদ)। আসন্ন নির্বাচনে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী এই নেতা ইতিমধ্যেই নিজের প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করে জোর প্রস্তুতি শুরু করেছেন। একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য পৌরসভা গড়ার প্রত্যয়ে তিনি দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন।

দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে নিজেকে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রেখেছেন এ্যাড. জাহিদ। তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ‘প্রপান ফিলিং স্টেশন’-এর অর্থায়নে প্রতি বছর শত শত দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার, অসহায়দের মাঝে খাদ্যসামগ্রী, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহায়তা ও নিয়মিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে আসছেন তিনি। জনকল্যাণমুখী এসব উদ্যোগের কারণে নলডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে তার একটি অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন (ক্লিন ইমেজ) ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছে।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এ্যাড. জাহিদের পিতা রেলওয়েতে কর্মরত অবস্থায় জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। মূলত পিতার রাজনৈতিক আদর্শ ধারণ করেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নীতিতে উজ্জীবিত হন তিনি। স্কুল জীবন থেকেই জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী জাহিদ পরবর্তীতে ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রদলের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে রাজপথে ভূমিকা রাখেন। এরপর যুবদলের রাজনীতির পাশাপাশি বর্তমানে তিনি ‘জিয়া মঞ্চ’ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক (২০২২ সাল থেকে চলমান) হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। ঢাকায় পড়াশোনা ও বসবাসের সুবাদে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন।

স্থানীয় রাজনীতি সচেতন মহল ও সাধারণ পৌরবাসীর মতে, একজন উচ্চশিক্ষিত, সৎ ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে সর্বমহলে তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও তাকে একজন শক্তিশালী, জনপ্রিয় ও পরিচ্ছন্ন প্রার্থী হিসেবেই বিবেচনা করছেন। নাগরিকরা মনে করছেন, তিনি প্রার্থী হলে তার বিজয়ী হওয়ার যথেষ্ট উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

নিজের নির্বাচনী ভাবনা ও প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে এ্যাডভোকেট জাহিদুল ইসলাম বলেন, “আগামী পৌর নির্বাচনে আমি বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। দল যদি আমাকে মূল্যায়ন করে মনোনয়ন দেয় এবং আমি যদি নির্বাচিত হই, তবে পৌরবাসীকে সাথে নিয়ে নলডাঙ্গাকে একটি আধুনিক ও ‘মডেল পৌরসভা’ হিসেবে উন্নীত করব ইনশাআল্লাহ।”

তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে আরও বলেন, “শিক্ষার বিস্তার, শতভাগ স্যানিটেশন, বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থা, মাদক নির্মূল এবং সকলের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। আমার ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই; আমি আমার সকল যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে নলডাঙ্গা পৌরসভার অবহেলিত মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করতে চাই। মৃত্যুর আগে নলডাঙ্গা পৌরবাসীর জন্য ভালো কিছু করে যাওয়াই আমার একমাত্র স্বপ্ন। এই মহতী যাত্রায় আমি সকল স্তরের পৌরবাসীর আন্তরিক দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”