ঢাকা সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিনন্দন বার্তা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 17
blank

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি তারেক রহমানের ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানান এবং তার নেতৃত্বে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও সাফল্য কামনা করেন।

চিঠিতে মার্কিন জনগণের পক্ষ থেকেও শুভেচ্ছা জানানো হয়।

বার্তায় উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রবাংলাদেশ-এর অংশীদারিত্ব পারস্পরিক সম্মান ও একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তিশালী ও সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার যৌথ স্বার্থের ওপর প্রতিষ্ঠিত। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।

এছাড়া পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষক ও শ্রমিকদের উপকার সাধিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

পাশাপাশি, নিয়মিত প্রতিরক্ষা চুক্তিসমূহ সম্পন্ন করে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর জন্য উচ্চমানের আমেরিকান সরঞ্জামে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

চিঠির শেষাংশে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের প্রতি পূর্ণ আস্থা থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়।

জনপ্রিয় খবর
blank

নলডাঙ্গাকে ‘মডেল পৌরসভা’ গড়ার প্রত্যয় মেয়র প্রার্থী এ্যাড. জাহিদের

নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিনন্দন বার্তা

প্রকাশের সময় : ০৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
blank

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি তারেক রহমানের ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানান এবং তার নেতৃত্বে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও সাফল্য কামনা করেন।

চিঠিতে মার্কিন জনগণের পক্ষ থেকেও শুভেচ্ছা জানানো হয়।

বার্তায় উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রবাংলাদেশ-এর অংশীদারিত্ব পারস্পরিক সম্মান ও একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তিশালী ও সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার যৌথ স্বার্থের ওপর প্রতিষ্ঠিত। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।

এছাড়া পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষক ও শ্রমিকদের উপকার সাধিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

পাশাপাশি, নিয়মিত প্রতিরক্ষা চুক্তিসমূহ সম্পন্ন করে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর জন্য উচ্চমানের আমেরিকান সরঞ্জামে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

চিঠির শেষাংশে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের প্রতি পূর্ণ আস্থা থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়।