ঢাকা শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুরে ব্রি-১১০ ধানের আশানুরূপ ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

blank

দিনাজপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত ব্রি-১১০ চাষে আশানুরূপ সাফল্য পেয়েছেন স্থানীয় কৃষক ও মুকুল অর্গ্যানিক এগ্রো ফার্মের মালিক শ্রী মুকুল চন্দ্র রায়। মাত্র ১৩০ থেকে ১৩৫ দিনের মধ্যেই ফসল কাটা সম্ভব হওয়ায় এই ধান জাতটি এখন স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

 

শ্রী মুকুল চন্দ্র রায় জানান, অন্যান্য প্রচলিত ধানের তুলনায় ব্রি-১১০ জাতের ধান ফলনে ও গুণমানে অনেক ভালো। তাঁর মতে, প্রতি বিঘায় গড়ে ২৭ থেকে ৩০ মণ ধান পাওয়া যায়। তিনি বলেন, “ধানের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। কীটনাশক বা ছত্রাকনাশকের ব্যবহার খুব কম করতে হয়েছে, ফলে উৎপাদন ব্যয়ও কম পড়েছে।”

 

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) আঞ্চলিক কার্যালয়, দিনাজপুর থেকে তিনি ব্রি-১১০ জাতের বীজ সংগ্রহ করেন। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, দিনাজপুরের ড. মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক সরকারের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শে তিনি এ ধানের চাষ করেন।

 

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রি-১১০ ধান জাতটি উচ্চ ফলনশীল, রোগ প্রতিরোধী ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম। তাই এটি উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় ধান জাত হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

 

দিনাজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, এই জাতটি স্থানীয় পর্যায়ে সফলভাবে চাষ হওয়ায় আগামী মৌসুমে আরও অনেক কৃষককে ব্রি-১১০ ধান চাষে উৎসাহিত করা হবে।

 

চাষি শ্রী মুকুল চন্দ্র রায় বলেন, “ধানের ফলন দেখে আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট। ব্রি-১১০ ধান আমার মতো ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।”

জনপ্রিয় খবর

দিনাজপুরে ব্রি-১১০ ধানের আশানুরূপ ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

প্রকাশের সময় : ০২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
blank

দিনাজপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত ব্রি-১১০ চাষে আশানুরূপ সাফল্য পেয়েছেন স্থানীয় কৃষক ও মুকুল অর্গ্যানিক এগ্রো ফার্মের মালিক শ্রী মুকুল চন্দ্র রায়। মাত্র ১৩০ থেকে ১৩৫ দিনের মধ্যেই ফসল কাটা সম্ভব হওয়ায় এই ধান জাতটি এখন স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

 

শ্রী মুকুল চন্দ্র রায় জানান, অন্যান্য প্রচলিত ধানের তুলনায় ব্রি-১১০ জাতের ধান ফলনে ও গুণমানে অনেক ভালো। তাঁর মতে, প্রতি বিঘায় গড়ে ২৭ থেকে ৩০ মণ ধান পাওয়া যায়। তিনি বলেন, “ধানের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। কীটনাশক বা ছত্রাকনাশকের ব্যবহার খুব কম করতে হয়েছে, ফলে উৎপাদন ব্যয়ও কম পড়েছে।”

 

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) আঞ্চলিক কার্যালয়, দিনাজপুর থেকে তিনি ব্রি-১১০ জাতের বীজ সংগ্রহ করেন। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, দিনাজপুরের ড. মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক সরকারের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শে তিনি এ ধানের চাষ করেন।

 

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রি-১১০ ধান জাতটি উচ্চ ফলনশীল, রোগ প্রতিরোধী ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম। তাই এটি উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় ধান জাত হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

 

দিনাজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, এই জাতটি স্থানীয় পর্যায়ে সফলভাবে চাষ হওয়ায় আগামী মৌসুমে আরও অনেক কৃষককে ব্রি-১১০ ধান চাষে উৎসাহিত করা হবে।

 

চাষি শ্রী মুকুল চন্দ্র রায় বলেন, “ধানের ফলন দেখে আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট। ব্রি-১১০ ধান আমার মতো ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।”