ঢাকা শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তাড়াশে অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, দুই লাখ টাকা জরিমানা

blank

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কাউরাইল এলাকায় অবৈধভাবে পুকুর খননের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে দুই লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) তাড়াশ উপজেলার কাউরাইল এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. জেড. এম. নাহিদ হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

 

অভিযানকালে মো. কামরুল ইসলাম (পিতা: মো. মানিক মিয়া, গ্রাম- আহম্মদপুর, উপজেল-সুজানগর, জেলা- পাবনা) কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তিনি অবৈধভাবে পুকুর খননের কাজে এস্কেভেটর ব্যবহার করছিলেন— এমন প্রমাণ পাওয়া যায়।

 

এ সময় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী তাকে ২,০০,০০০ (দুই লাখ) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে আর কখনো অবৈধ পুকুর খননের কাজে নিজের এস্কেভেটর ব্যবহার করবেন না— মর্মে দণ্ডিত ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা গ্রহণ করা হয়।

 

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অবৈধভাবে মাটি ও পুকুর খননের ফলে কৃষিজমি, পরিবেশ ও জনস্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব অপরাধ দমনে তাড়াশ উপজেলায় নিয়মিতভাবে মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

এমএসিপিএম : যেখানে একসাথে পড়েন সামরিক, পুলিশ, আইনজীবী ও কর্পোরেট কর্মকর্তারা

তাড়াশে অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, দুই লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশের সময় : ০৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
blank

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কাউরাইল এলাকায় অবৈধভাবে পুকুর খননের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে দুই লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) তাড়াশ উপজেলার কাউরাইল এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. জেড. এম. নাহিদ হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

 

অভিযানকালে মো. কামরুল ইসলাম (পিতা: মো. মানিক মিয়া, গ্রাম- আহম্মদপুর, উপজেল-সুজানগর, জেলা- পাবনা) কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তিনি অবৈধভাবে পুকুর খননের কাজে এস্কেভেটর ব্যবহার করছিলেন— এমন প্রমাণ পাওয়া যায়।

 

এ সময় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী তাকে ২,০০,০০০ (দুই লাখ) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে আর কখনো অবৈধ পুকুর খননের কাজে নিজের এস্কেভেটর ব্যবহার করবেন না— মর্মে দণ্ডিত ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা গ্রহণ করা হয়।

 

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অবৈধভাবে মাটি ও পুকুর খননের ফলে কৃষিজমি, পরিবেশ ও জনস্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব অপরাধ দমনে তাড়াশ উপজেলায় নিয়মিতভাবে মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।