ঢাকা শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের জোর করে বোরকা পরাবে না: জামায়াত আমির

blank

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের বোরকা পরতে জোর করা হবে— এমন অভিযোগ ‘ভয় দেখানো’র কৌশল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। 

 

তিনি বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে কাউকে কোনো পোশাক পরতে বাধ্য করা হবে না। নারী–পুরুষ সবার নিরাপত্তা, সম্মান ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে তাদের প্রতিশ্রুতি।

 

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর মিরপুরে রূপসী প্রো-অ্যাকটিভ ভিলেজ রোডে আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

নারী অধিকার প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, যোগ্যতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী নারীরা দেশগঠনে ভূমিকা রাখবেন। বর্তমানে নারীদের নিরাপত্তা ও সম্মান নেই উল্লেখ করে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে তাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

 

নারীদের বোরকা নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মায়েদের ব্যাপারে ভয় দেখানো হয়— জামায়াত ক্ষমতায় এলে সবাইকে একটা করে কালো চাদর পরাবে, শুধু চোখ খোলা রাখবে। ইসলামের বিধানে চোখ খোলা রাখাও আছে আবার মুখ খোলা রাখাও আছে। হ্যাঁ, কেউ যদি চোখও না ঢাকেন, মুখও না ঢাকেন— জামায়াতে ইসলামী কাউকে জোর করে বলবে না। এই কল্যাণ রাষ্ট্রের সৌন্দর্য উপলব্ধি করে, আগ্রহী হয়ে নারীরাই সৌন্দর্যের শালীন পোশাক কবুল করে নেবেন, ইনশাআল্লাহ।’

 

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, জনগণ যেন বিবেকের প্রতিফলন ঘটিয়ে ভোট দেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে যে দল ক্ষমতায় আসবে, জামায়াত তাদের অভিনন্দন জানাবে। আর জনগণ জামায়াতকে নির্বাচিত করলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করা হবে।

 

জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘আমরা সংস্কারের দিকে যতবার এগোতে চেয়েছি, কেউ না কেউ আমাদের কোমর ধরে পিছের দিকে টেনে রেখেছে, এটা চাই না, ওইটা চাই না, এটার দরকার নাই, শুধুমাত্র ইলেকশন। নির্বাচন তো আগেও হয়েছে, এই দেশের মানুষকে কল্যাণ এবং মুক্তি তো দিতে পারেনি। নির্বাচন অবশ্যই প্রয়োজন। তবে নির্বাচনের মতো নির্বাচন প্রয়োজন। পুরোনো স্টাইলে নির্বাচন দিয়ে দেশে কোনো কল্যাণ কেউ দিতে পারবে না।’

যুবকদের ‘ফ্যাসিবাদের’ বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রশংসা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এখনো তাদের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার দেওয়া সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতে তাদের মেধার মূল্যায়ন করে দেশ গঠনে কাজে লাগানোর অঙ্গীকারও করেন জামায়াত আমির।

জনপ্রিয় খবর
blank

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণায় কলাপাড়া বিএনপির আনন্দ মিছিল

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের জোর করে বোরকা পরাবে না: জামায়াত আমির

প্রকাশের সময় : ০১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
blank

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের বোরকা পরতে জোর করা হবে— এমন অভিযোগ ‘ভয় দেখানো’র কৌশল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। 

 

তিনি বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে কাউকে কোনো পোশাক পরতে বাধ্য করা হবে না। নারী–পুরুষ সবার নিরাপত্তা, সম্মান ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে তাদের প্রতিশ্রুতি।

 

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর মিরপুরে রূপসী প্রো-অ্যাকটিভ ভিলেজ রোডে আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

নারী অধিকার প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, যোগ্যতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী নারীরা দেশগঠনে ভূমিকা রাখবেন। বর্তমানে নারীদের নিরাপত্তা ও সম্মান নেই উল্লেখ করে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে তাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

 

নারীদের বোরকা নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মায়েদের ব্যাপারে ভয় দেখানো হয়— জামায়াত ক্ষমতায় এলে সবাইকে একটা করে কালো চাদর পরাবে, শুধু চোখ খোলা রাখবে। ইসলামের বিধানে চোখ খোলা রাখাও আছে আবার মুখ খোলা রাখাও আছে। হ্যাঁ, কেউ যদি চোখও না ঢাকেন, মুখও না ঢাকেন— জামায়াতে ইসলামী কাউকে জোর করে বলবে না। এই কল্যাণ রাষ্ট্রের সৌন্দর্য উপলব্ধি করে, আগ্রহী হয়ে নারীরাই সৌন্দর্যের শালীন পোশাক কবুল করে নেবেন, ইনশাআল্লাহ।’

 

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, জনগণ যেন বিবেকের প্রতিফলন ঘটিয়ে ভোট দেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে যে দল ক্ষমতায় আসবে, জামায়াত তাদের অভিনন্দন জানাবে। আর জনগণ জামায়াতকে নির্বাচিত করলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করা হবে।

 

জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘আমরা সংস্কারের দিকে যতবার এগোতে চেয়েছি, কেউ না কেউ আমাদের কোমর ধরে পিছের দিকে টেনে রেখেছে, এটা চাই না, ওইটা চাই না, এটার দরকার নাই, শুধুমাত্র ইলেকশন। নির্বাচন তো আগেও হয়েছে, এই দেশের মানুষকে কল্যাণ এবং মুক্তি তো দিতে পারেনি। নির্বাচন অবশ্যই প্রয়োজন। তবে নির্বাচনের মতো নির্বাচন প্রয়োজন। পুরোনো স্টাইলে নির্বাচন দিয়ে দেশে কোনো কল্যাণ কেউ দিতে পারবে না।’

যুবকদের ‘ফ্যাসিবাদের’ বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রশংসা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এখনো তাদের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার দেওয়া সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতে তাদের মেধার মূল্যায়ন করে দেশ গঠনে কাজে লাগানোর অঙ্গীকারও করেন জামায়াত আমির।