ঢাকা শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঘরে ঢুকে ইমামের স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা

blank

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

 

রোববার (১৬ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার চাকামাইয়া ইউপির নিশানবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত মোসা. মুকুল বেগম (৫০) ওই এলাকার হাফেজ হাবিবুর রহমানের স্ত্রী। তিনি পার্শ্ববর্তী মৌলভীতবক সুলতান মাস্টার বাড়ির জামে মসজিদে ইমামতি করেন।

 

স্থানীয়রা জানান, রোববার দুপুরের খাবার শেষে হাফেজ হাবিবুর রহমান প্রতিদিনের মতো বেতমোর, মৌলবি তবক সুলতান আহম্মেদ মাস্টার বাড়ি জামে মসজিদে নামাজ পড়াতে যান। সেই সময় তার স্ত্রী ঘরেই অবস্থান করছিলেন। তবে সন্ধ্যার পরে তাদের বাড়িতে প্রতিবেশী নারী রাহিমা কোদাল নিতে এসে ঘরে গৃহবধূকে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে পুলিশে খবর দেয়।

 

নিহতের স্বামী বিলাপ করে জানান, প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি মুকুল বেগমকে বিয়ে করেন। তার স্ত্রী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজসহ তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতেন। এখন তাকে ছাড়া বাঁচা অসম্ভব বলে আহাজারি করছেন তিনি।

 

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মামুন শিকদার বলেন, একজন ধার্মিক নারীকে হত্যা করা হয়েছে। তাকে কেউ কোনোদিন দেখেনি। সব সময় পর্দার আড়ালে থাকতেন। আমরা আশা করছি, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করবে পুলিশ।

 

এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণায় কলাপাড়া বিএনপির আনন্দ মিছিল

ঘরে ঢুকে ইমামের স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা

প্রকাশের সময় : ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
blank

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

 

রোববার (১৬ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার চাকামাইয়া ইউপির নিশানবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত মোসা. মুকুল বেগম (৫০) ওই এলাকার হাফেজ হাবিবুর রহমানের স্ত্রী। তিনি পার্শ্ববর্তী মৌলভীতবক সুলতান মাস্টার বাড়ির জামে মসজিদে ইমামতি করেন।

 

স্থানীয়রা জানান, রোববার দুপুরের খাবার শেষে হাফেজ হাবিবুর রহমান প্রতিদিনের মতো বেতমোর, মৌলবি তবক সুলতান আহম্মেদ মাস্টার বাড়ি জামে মসজিদে নামাজ পড়াতে যান। সেই সময় তার স্ত্রী ঘরেই অবস্থান করছিলেন। তবে সন্ধ্যার পরে তাদের বাড়িতে প্রতিবেশী নারী রাহিমা কোদাল নিতে এসে ঘরে গৃহবধূকে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে পুলিশে খবর দেয়।

 

নিহতের স্বামী বিলাপ করে জানান, প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি মুকুল বেগমকে বিয়ে করেন। তার স্ত্রী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজসহ তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতেন। এখন তাকে ছাড়া বাঁচা অসম্ভব বলে আহাজারি করছেন তিনি।

 

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মামুন শিকদার বলেন, একজন ধার্মিক নারীকে হত্যা করা হয়েছে। তাকে কেউ কোনোদিন দেখেনি। সব সময় পর্দার আড়ালে থাকতেন। আমরা আশা করছি, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করবে পুলিশ।

 

এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।