ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বিপর্যস্ত নিকলীর মানুষ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 39
blank

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় গত তিন দিন ধরে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশা এবং শীতের তীব্রতা বিরাজ করছে। 

 

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালেও আকাশ মেঘলা ও কুয়াশাচ্ছন্ন থাকার কারণে সূর্যের দেখা মেলেনি। ঘন কুয়াশা ও শিশিরে ভিজে অধিকাংশ সড়ক পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় দিনের বেলাতেও যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীর গতিতে চলাচল করছে।

 

নিকলী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঘন কুয়াশা ও শীতের তীব্রতার কারণে স্থানীয়রা ভোগান্তিতে পড়েছেন, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ, কৃষি শ্রমিক এবং নৌপরিবহন কর্মীরা। ভোর ও গভীর রাতে ঠান্ডা থেকে বাঁচতে তারা সড়কের পাশে বা বাজারের মোড়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে জ্বর, সর্দি, ডায়রিয়া, টাইফয়েড ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

 

নিকলী আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র অবজারভার আক্তার ফারুক জানান, আগামী কয়েক দিনে শীত ও কুয়াশার তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। তবে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের পর তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ‘উইনটার কার্নিভাল অ্যান্ড পৌষ পার্বণ’ অনুষ্ঠিত

ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বিপর্যস্ত নিকলীর মানুষ

প্রকাশের সময় : ০১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
blank

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় গত তিন দিন ধরে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশা এবং শীতের তীব্রতা বিরাজ করছে। 

 

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালেও আকাশ মেঘলা ও কুয়াশাচ্ছন্ন থাকার কারণে সূর্যের দেখা মেলেনি। ঘন কুয়াশা ও শিশিরে ভিজে অধিকাংশ সড়ক পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় দিনের বেলাতেও যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীর গতিতে চলাচল করছে।

 

নিকলী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঘন কুয়াশা ও শীতের তীব্রতার কারণে স্থানীয়রা ভোগান্তিতে পড়েছেন, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ, কৃষি শ্রমিক এবং নৌপরিবহন কর্মীরা। ভোর ও গভীর রাতে ঠান্ডা থেকে বাঁচতে তারা সড়কের পাশে বা বাজারের মোড়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে জ্বর, সর্দি, ডায়রিয়া, টাইফয়েড ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

 

নিকলী আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র অবজারভার আক্তার ফারুক জানান, আগামী কয়েক দিনে শীত ও কুয়াশার তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। তবে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের পর তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।