ঢাকা বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গুরুদাসপুরে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন

blank

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা সদরে আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠানস্থলে ফিতা কেটে এ মসজিদ উদ্বোধন করেন ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। এ সময় তাকে ফুল দিয়ে বরণ করেন গুরুদাসপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন— পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব, নাটোর; মোঃ তৌফিকুল ইসলাম, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, গণপুর্ত বিভাগ; মোঃ আরিফ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মডেল মসজিদের প্রকল্প পরিচালক; সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলাম।

 

এছাড়াও সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

 

ঐতিহাসিক দিনের অনুভূতি প্রকাশ করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, ‘সারাদেশে নির্মিত মডেল মসজিদগুলো শুধু নামাজের স্থান নয়— এগুলো হবে ইসলামিক শিক্ষা, গবেষণা ও সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু। আধুনিক সুযোগ–সুবিধাসম্পন্ন এসব মসজিদ শান্তি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের পরিবেশ গড়ে তুলবে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘গুরুদাসপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা আজ পূরণ হলো। এটি নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’

 

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব বলেন, ‘ধর্ম ও নৈতিকতা মানুষের জীবনের দিশারি। এই মডেল মসজিদ এ অঞ্চলের ধর্মীয়–সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তরুণ প্রজন্ম এখানে ধর্মীয় জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি নৈতিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে।’

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ বলেন, ‘গুরুদাসপুরবাসীর স্বপ্নপূরণের দিন আজ। নারী–পুরুষের পৃথক নামাজের ব্যবস্থা, আধুনিক ওযু–ঘর, অত্যাধুনিক সুবিধায় সমৃদ্ধ এই মডেল মসজিদ ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রমে নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।’

 

সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধান অতিথির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। এই মসজিদকে কেন্দ্র করে সবাই মিলেমিশে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নেবো— এটাই প্রত্যাশা।’

 

উদ্বোধনের পর প্রধান অতিথি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং মোনাজাত পরিচালনা করেন। অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে অতিথিরা মসজিদের অভ্যন্তরীণ সকল অংশ ঘুরে দেখেন এবং আধুনিক নির্মাণশৈলী ও সুবিধাবলী সম্পর্কে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

জনপ্রিয় খবর
blank

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ‘উইনটার কার্নিভাল অ্যান্ড পৌষ পার্বণ’ অনুষ্ঠিত

গুরুদাসপুরে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন

প্রকাশের সময় : ০৬:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
blank

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা সদরে আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠানস্থলে ফিতা কেটে এ মসজিদ উদ্বোধন করেন ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। এ সময় তাকে ফুল দিয়ে বরণ করেন গুরুদাসপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন— পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব, নাটোর; মোঃ তৌফিকুল ইসলাম, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, গণপুর্ত বিভাগ; মোঃ আরিফ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মডেল মসজিদের প্রকল্প পরিচালক; সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলাম।

 

এছাড়াও সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

 

ঐতিহাসিক দিনের অনুভূতি প্রকাশ করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, ‘সারাদেশে নির্মিত মডেল মসজিদগুলো শুধু নামাজের স্থান নয়— এগুলো হবে ইসলামিক শিক্ষা, গবেষণা ও সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু। আধুনিক সুযোগ–সুবিধাসম্পন্ন এসব মসজিদ শান্তি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের পরিবেশ গড়ে তুলবে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘গুরুদাসপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা আজ পূরণ হলো। এটি নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’

 

পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব বলেন, ‘ধর্ম ও নৈতিকতা মানুষের জীবনের দিশারি। এই মডেল মসজিদ এ অঞ্চলের ধর্মীয়–সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তরুণ প্রজন্ম এখানে ধর্মীয় জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি নৈতিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে।’

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ বলেন, ‘গুরুদাসপুরবাসীর স্বপ্নপূরণের দিন আজ। নারী–পুরুষের পৃথক নামাজের ব্যবস্থা, আধুনিক ওযু–ঘর, অত্যাধুনিক সুবিধায় সমৃদ্ধ এই মডেল মসজিদ ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রমে নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।’

 

সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধান অতিথির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। এই মসজিদকে কেন্দ্র করে সবাই মিলেমিশে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নেবো— এটাই প্রত্যাশা।’

 

উদ্বোধনের পর প্রধান অতিথি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং মোনাজাত পরিচালনা করেন। অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে অতিথিরা মসজিদের অভ্যন্তরীণ সকল অংশ ঘুরে দেখেন এবং আধুনিক নির্মাণশৈলী ও সুবিধাবলী সম্পর্কে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।