ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় অবৈধ ইউরিয়া সার মজুত, ১৫০ বস্তা জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 26
blank

গাইবান্ধায় অবৈধভাবে ইউরিয়া সার আমদানি করে মজুত ও বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীর ১৫০ বস্তা সার জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর কৃষি কর্মকর্তা মো. রাকিবুল আলম। এর আগে মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কামারজানি বন্দরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুস শাহাদাত ফাহিমের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযানটি পরিচালনা করেন।

অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীর নাম সানোয়ার মুন্সী। তিনি কামারজানি বন্দরের একজন কীটনাশক ব্যবসায়ী।

সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সানোয়ার মুন্সীর গুদামে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বাইরে থেকে অবৈধভাবে সার আমদানি করে মজুত ও বিক্রির অভিযোগে তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি গুদামে মজুত রাখা ১৫০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা সার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখা হয়েছে। অভিযানে কৃষি বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে অভিযান চলাকালে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগও উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি সময় টিভির গাইবান্ধা প্রতিনিধি বিপ্লব ইসলাম ও ক্যামেরাপারসন সোহেল রানাকে ঘিরে ধরেছেন। এ সময় তাদের ধাক্কাধাক্কি করা এবং ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করতেও দেখা যায়।

সদর কৃষি কর্মকর্তা মো. রাকিবুল আলম বলেন, নিয়মের বাইরে গিয়ে বাইরে থেকে অবৈধভাবে সার নিয়ে আসার অভিযোগে ওই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার মজুত করা ১৫০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

সাংবাদিকদের হেনস্তার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের হেনস্তার সময় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তবে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের ওপর কোনো হামলা বা মব করা হয়নি।

সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুস শাহাদাত ফাহিম বলেন, অননুমোদিত ব্যবসায়ী হয়েও বিপুল পরিমাণ সার মজুত ও বিক্রির দায়ে ওই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে এবং সারগুলো জব্দ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ কাজে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

blank

চট্টগ্রামে রেলওয়ের জমি দখলমুক্ত করতে মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

গাইবান্ধায় অবৈধ ইউরিয়া সার মজুত, ১৫০ বস্তা জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

প্রকাশের সময় : ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
blank

গাইবান্ধায় অবৈধভাবে ইউরিয়া সার আমদানি করে মজুত ও বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীর ১৫০ বস্তা সার জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর কৃষি কর্মকর্তা মো. রাকিবুল আলম। এর আগে মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কামারজানি বন্দরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুস শাহাদাত ফাহিমের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযানটি পরিচালনা করেন।

অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীর নাম সানোয়ার মুন্সী। তিনি কামারজানি বন্দরের একজন কীটনাশক ব্যবসায়ী।

সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সানোয়ার মুন্সীর গুদামে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বাইরে থেকে অবৈধভাবে সার আমদানি করে মজুত ও বিক্রির অভিযোগে তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি গুদামে মজুত রাখা ১৫০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা সার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখা হয়েছে। অভিযানে কৃষি বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে অভিযান চলাকালে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগও উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি সময় টিভির গাইবান্ধা প্রতিনিধি বিপ্লব ইসলাম ও ক্যামেরাপারসন সোহেল রানাকে ঘিরে ধরেছেন। এ সময় তাদের ধাক্কাধাক্কি করা এবং ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করতেও দেখা যায়।

সদর কৃষি কর্মকর্তা মো. রাকিবুল আলম বলেন, নিয়মের বাইরে গিয়ে বাইরে থেকে অবৈধভাবে সার নিয়ে আসার অভিযোগে ওই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার মজুত করা ১৫০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

সাংবাদিকদের হেনস্তার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের হেনস্তার সময় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তবে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের ওপর কোনো হামলা বা মব করা হয়নি।

সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুস শাহাদাত ফাহিম বলেন, অননুমোদিত ব্যবসায়ী হয়েও বিপুল পরিমাণ সার মজুত ও বিক্রির দায়ে ওই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে এবং সারগুলো জব্দ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ কাজে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।