ঢাকা রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে বগুড়ায় টানা প্রচারণা, ছয় দিনে সফর করলেন তিন উপদেষ্টা

blank

গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট আদায়ের লক্ষ্যে গত ছয় দিনে বগুড়া সফর করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তিনজন উপদেষ্টা। সফরকালে তারা বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

গত ১৯ জানুয়ারি আইন-বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বগুড়া সফর করেন। এ সময় তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে জনগণ পরিবর্তনের পথে এগিয়ে যেতে পারে। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বানও জানান।

এরপর ২০ জানুয়ারি বগুড়ায় আসেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক ই আজম, বীর প্রতীক। তিনি বগুড়া সদরের ফাঁপোড় পশ্চিমপাড়ায় একটি উঠান বৈঠকে অংশ নেন। সেখানে তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে দেশ পরিচালনার চাবিকাঠি জনগণের হাতে থাকবে এবং জনগণই হবে রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক।

সর্বশেষ  শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বগুড়া সফর করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। তিনি বলেন, গণভোটের মাধ্যমে দেশের জনগণ ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা দিতে পারবেন। যারা পরিবর্তনের পক্ষে, তারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। গণভোটের মাধ্যমেই বাংলাদেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরে আসবে।

এই তিন উপদেষ্টাই তাদের বগুড়া সফরকালে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালান।

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অধিকাংশ রাজনৈতিক দলও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি স্থাপনাতেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার কার্যক্রম লক্ষ্য করা গেছে। শহর ও গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যানার, ফেস্টুন ও প্যানা টাঙানো হয়েছে।

গণভোট ঘিরে বগুড়ায় দিন দিন প্রচারণার মাত্রা বাড়ছে, যা আগামী দিনগুলোতে আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

জনপ্রিয় খবর
blank

বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে ইউনিয়ন আমীরসহ আহত ১০॥ ১২টি বাড়ি-দোকান ভাংচুর ॥ আটক চার

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে বগুড়ায় টানা প্রচারণা, ছয় দিনে সফর করলেন তিন উপদেষ্টা

প্রকাশের সময় : ০৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
blank

গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট আদায়ের লক্ষ্যে গত ছয় দিনে বগুড়া সফর করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তিনজন উপদেষ্টা। সফরকালে তারা বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

গত ১৯ জানুয়ারি আইন-বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বগুড়া সফর করেন। এ সময় তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে জনগণ পরিবর্তনের পথে এগিয়ে যেতে পারে। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বানও জানান।

এরপর ২০ জানুয়ারি বগুড়ায় আসেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক ই আজম, বীর প্রতীক। তিনি বগুড়া সদরের ফাঁপোড় পশ্চিমপাড়ায় একটি উঠান বৈঠকে অংশ নেন। সেখানে তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে দেশ পরিচালনার চাবিকাঠি জনগণের হাতে থাকবে এবং জনগণই হবে রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক।

সর্বশেষ  শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বগুড়া সফর করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। তিনি বলেন, গণভোটের মাধ্যমে দেশের জনগণ ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা দিতে পারবেন। যারা পরিবর্তনের পক্ষে, তারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। গণভোটের মাধ্যমেই বাংলাদেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরে আসবে।

এই তিন উপদেষ্টাই তাদের বগুড়া সফরকালে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালান।

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অধিকাংশ রাজনৈতিক দলও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি স্থাপনাতেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার কার্যক্রম লক্ষ্য করা গেছে। শহর ও গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যানার, ফেস্টুন ও প্যানা টাঙানো হয়েছে।

গণভোট ঘিরে বগুড়ায় দিন দিন প্রচারণার মাত্রা বাড়ছে, যা আগামী দিনগুলোতে আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।