কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জালাল উদ্দীনের পক্ষে পাকুন্দিয়া উপজেলার সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনী মাঠে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে পৌরসভার হাপানিয়া এলাকার পলিগ্যান পাবলিক অ্যান্ড স্কুল মাঠে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত বর্ধিত সভায় এ ঘোষণা আসে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন- পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক তৌফিকুল ইসলাম, আতিকুর রহমান মাসুদ, ভিপি কামাল উদ্দিন কামাল, আবদুস সাত্তার, মাহমুদুজ্জামান রিপন, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি শামসুল হক মিঠু, যুবদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান খান সুমন, সদস্য সচিব রাকিবুল আলম ছোটন, জাসাস উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আকরাম হোসেন কাজল, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান বাচ্চু, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল হক উজ্জ্বল, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আলম জনি এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ভিপি কামাল। তিনি বলেন,
“বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমাকে ও কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি দীলিপ খানকে নিয়ে যে সংবাদ প্রচার হচ্ছে তা বিভ্রান্তিকর। সেই বক্তব্য ছিল মনোনয়ন ঘোষণার আগের। জালাল ভাই মনোনয়ন পাওয়ার পর আমরা একদিনের জন্যও বিরোধিতা করিনি। পুরনো বক্তব্য জুড়ে দিয়ে বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ পরিবেশনের নিন্দা জানাই। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ।”
প্রার্থী জালাল উদ্দীন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “প্রায় এক লাখ ফেইক আইডি খুলে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে- আমাদের চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী বলা হচ্ছে, গণসংযোগ নেই বলা হচ্ছে। এসব ফেইক প্রচারণায় কান না দিয়ে নেতাকর্মীদের পজিটিভ নিউজ শেয়ার করার আহ্বান জানাই। প্রবাসী ভাইয়েরা ১৬-১৭ ঘণ্টা শ্রম দিয়ে দলের জন্য কাজ করেন, তবু এসব নেগেটিভ পোস্টে মন্তব্য করছেন তাদেরকে ধন্যবাদ।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম, আছি এবং থাকব। প্রত্যেক ঘরে ঘরে যেতে হবে। মনিটরিং সেল গঠন করা হবে। মনোনয়ন ঘোষণার আগে ও পরে আমি গণসংযোগ, কর্মীসভা ও মতবিনিময় করেছি। তারেক রহমানের ৩১ দফা তৃণমূলে তুলে ধরেছি এবং জনগণের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি।”

বুরহান খান, কিশোরগঞ্জ 



















