ঢাকা শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জে ভাতিজার টেঁটায় বিএনপি নেতা নিহত

blank

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় পৈতৃক জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজার হাতে চাচা নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি মাহমুদুল হাসান কামাল (৫৫) আচমিতা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য।

 

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের ভিটাদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাহমুদুল হাসান কামাল ও তার বড় ভাই জালাল উদ্দিনের পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন সকালে দুই পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হলে একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

 

অভিযোগ রয়েছে, জালাল উদ্দিন ও তার ছেলে সাদ্দাম হোসেন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কামাল ও তার পরিবারের ওপর হামলা চালান। হামলার সময় টেঁটাবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন কামাল ও তার ছেলে কাঁকন।

 

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে মাহমুদুল হাসান কামালকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাল ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

 

স্থানীয় সূত্র আরও জানা যায়, প্রধান অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেন এর আগেও এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। কয়েক বছর আগে এক স্কুলছাত্রকে মারধরের অভিযোগেও তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল।

 

ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে জালাল উদ্দিন ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে প্রধান অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেন এখনও পলাতক রয়েছেন।

 

এ বিষয়ে কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

এমএসিপিএম : যেখানে একসাথে পড়েন সামরিক, পুলিশ, আইনজীবী ও কর্পোরেট কর্মকর্তারা

কিশোরগঞ্জে ভাতিজার টেঁটায় বিএনপি নেতা নিহত

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
blank

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় পৈতৃক জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজার হাতে চাচা নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি মাহমুদুল হাসান কামাল (৫৫) আচমিতা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য।

 

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের ভিটাদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাহমুদুল হাসান কামাল ও তার বড় ভাই জালাল উদ্দিনের পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন সকালে দুই পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হলে একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

 

অভিযোগ রয়েছে, জালাল উদ্দিন ও তার ছেলে সাদ্দাম হোসেন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কামাল ও তার পরিবারের ওপর হামলা চালান। হামলার সময় টেঁটাবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন কামাল ও তার ছেলে কাঁকন।

 

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে মাহমুদুল হাসান কামালকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাল ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

 

স্থানীয় সূত্র আরও জানা যায়, প্রধান অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেন এর আগেও এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। কয়েক বছর আগে এক স্কুলছাত্রকে মারধরের অভিযোগেও তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল।

 

ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে জালাল উদ্দিন ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে প্রধান অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেন এখনও পলাতক রয়েছেন।

 

এ বিষয়ে কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।