ঢাকা বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলকাতার হোটেলে ভয়াবহ আগুন, শিশুসহ ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

blank

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ অন্তত ৯ বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোরে নিউ মার্কেটসংলগ্ন ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি হোটেলে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, রাত আনুমানিক ২টার দিকে হোটেলটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে হোটেলের বেশ কয়েকজন অতিথি ভেতরে আটকা পড়েন। নিহতদের সবাই চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, হোটেলের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে হোটেলের ওপরের তলাগুলো ঘন ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন থাকায় সেখানে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে উদ্ধারকর্মীদের বেশ বেগ পেতে হয়।

পুলিশের এক কর্মকর্তা ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই ও পিটিআইকে জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর বর্তমানে ভবনটি ঠান্ডা করার পাশাপাশি ভেতরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এদিকে, মাত্র দুই দিন আগে গত ১৭ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার তারাপীঠে ‘হোটেল বিদেশিণী’ নামে একটি পাঁচতলা হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মেঘালয়ের একটি পরিবারের পাঁচ সদস্যসহ মোট আটজনের মৃত্যু হয়েছিল। এর মধ্যেই কলকাতার এই মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

কলকাতার হোটেলে ভয়াবহ আগুন, শিশুসহ ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
blank

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ অন্তত ৯ বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোরে নিউ মার্কেটসংলগ্ন ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি হোটেলে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, রাত আনুমানিক ২টার দিকে হোটেলটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে হোটেলের বেশ কয়েকজন অতিথি ভেতরে আটকা পড়েন। নিহতদের সবাই চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, হোটেলের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে হোটেলের ওপরের তলাগুলো ঘন ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন থাকায় সেখানে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে উদ্ধারকর্মীদের বেশ বেগ পেতে হয়।

পুলিশের এক কর্মকর্তা ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই ও পিটিআইকে জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর বর্তমানে ভবনটি ঠান্ডা করার পাশাপাশি ভেতরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এদিকে, মাত্র দুই দিন আগে গত ১৭ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার তারাপীঠে ‘হোটেল বিদেশিণী’ নামে একটি পাঁচতলা হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মেঘালয়ের একটি পরিবারের পাঁচ সদস্যসহ মোট আটজনের মৃত্যু হয়েছিল। এর মধ্যেই কলকাতার এই মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।