ইরানের বিরুদ্ধে শত্রুদের হুমকি ও আগ্রাসী বক্তব্য বৃদ্ধি পেলে তা সরাসরি হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং এর কঠোর জবাব দেওয়া হবে— এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি।
তিনি বলেন, “যেকোনো আক্রমণকারীর হাত আমরা কেটে দেব।”
বুধবার (৭ জানুয়ারি) ইরানের আর্মি কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে এসব কথা বলেন আমির হাতামি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সামরিক হুমকির প্রেক্ষাপটেই এই কঠোর বক্তব্য দেন তিনি।
ইরানের সেনাপ্রধান বলেন, “ইরানের বিরুদ্ধে শত্রুদের বক্তব্যের তীব্রতাকে তেহরান হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে। এই ধরনের বক্তব্য ও আচরণ অব্যাহত থাকলে ইরান চুপ করে থাকবে না।”
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপের সুদূরপ্রসারী পরিণতি হবে। দেশের স্বাধীনতা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শাসনব্যবস্থা রক্ষায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পূর্ণ শক্তি প্রয়োগে প্রস্তুত রয়েছে। হাতামি বলেন, “যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের তুলনায় বর্তমানে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আরও বেশি প্রস্তুত। শত্রুপক্ষ যদি ভুল হিসাব করে, তবে তারা আরও শক্তিশালী প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়বে।”
সম্প্রতি ইরানজুড়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভ প্রসঙ্গেও কথা বলেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, এসব বিক্ষোভের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কিংবা ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কোনো সম্পর্ক নেই।
অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রতিবাদ যেকোনো দেশেই স্বাভাবিক। তবে তা দ্রুত সহিংস দাঙ্গায় রূপ নেওয়া ইরানের সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।” এ ধরনের পরিস্থিতিকে শত্রুদের পরিকল্পনার অংশ বলেও দাবি করেন তিনি।

অনলাইন ডেস্ক 





















