ঢাকা রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

blank

ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সেন্টকম জানিয়েছে, বিধ্বস্ত বিমানের ক্রুদের সন্ধানে বর্তমানে উদ্ধার অভিযান চলছে। তবে বিমানে থাকা আরোহীদের হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ পরিচালনার সময় মিত্র আকাশসীমায় মার্কিন কেসি-১৩৫ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এ সময় দুটি উড়োজাহাজ উড়ান দিলেও দ্বিতীয়টি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে। সেন্টকমের দাবি, শত্রুপক্ষের হামলা কিংবা নিজেদের ভুলবশত ছোড়া গুলিতে (ফ্রেন্ডলি ফায়ার) বিমানটি বিধ্বস্ত হয়নি।

অন্যদিকে, এই ঘটনার সম্পূর্ণ ভিন্ন দাবি করেছে ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স’। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, পশ্চিম ইরাকে ‘যথাযথ অস্ত্রের মাধ্যমে’ মার্কিন বাহিনীর ওই উড়োজাহাজটি তারাই ভূপাতিত করেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বিমান বাহিনীর নথির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, একটি কেসি-১৩৫ উড়োজাহাজে সাধারণত তিন থেকে চারজন ক্রু থাকেন। পাইলট ও কো-পাইলট ছাড়াও এই দলে একজন ‘বুম অপারেটর’ থাকেন, যার মূল দায়িত্ব হলো মাঝআকাশে অন্য উড়োজাহাজে জ্বালানি সরবরাহ করা। এছাড়া, বিশেষ অভিযানের ক্ষেত্রে একজন নেভিগেটরও এই দলে যুক্ত থাকেন।

জনপ্রিয় খবর
blank

দীর্ঘ ১১ বছর আত্মগোপনে, অবশেষে পুলিশের জালে গ্রেফতার ডাকাতি মামলার আসামি

ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

প্রকাশের সময় : ০৩:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
blank

ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সেন্টকম জানিয়েছে, বিধ্বস্ত বিমানের ক্রুদের সন্ধানে বর্তমানে উদ্ধার অভিযান চলছে। তবে বিমানে থাকা আরোহীদের হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ পরিচালনার সময় মিত্র আকাশসীমায় মার্কিন কেসি-১৩৫ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এ সময় দুটি উড়োজাহাজ উড়ান দিলেও দ্বিতীয়টি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে। সেন্টকমের দাবি, শত্রুপক্ষের হামলা কিংবা নিজেদের ভুলবশত ছোড়া গুলিতে (ফ্রেন্ডলি ফায়ার) বিমানটি বিধ্বস্ত হয়নি।

অন্যদিকে, এই ঘটনার সম্পূর্ণ ভিন্ন দাবি করেছে ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স’। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, পশ্চিম ইরাকে ‘যথাযথ অস্ত্রের মাধ্যমে’ মার্কিন বাহিনীর ওই উড়োজাহাজটি তারাই ভূপাতিত করেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বিমান বাহিনীর নথির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, একটি কেসি-১৩৫ উড়োজাহাজে সাধারণত তিন থেকে চারজন ক্রু থাকেন। পাইলট ও কো-পাইলট ছাড়াও এই দলে একজন ‘বুম অপারেটর’ থাকেন, যার মূল দায়িত্ব হলো মাঝআকাশে অন্য উড়োজাহাজে জ্বালানি সরবরাহ করা। এছাড়া, বিশেষ অভিযানের ক্ষেত্রে একজন নেভিগেটরও এই দলে যুক্ত থাকেন।