ঢাকা রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমরা বৈষম্যহীন একটি সমাজ গড়তে চাই: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

blank

বাংলাদেশ ৭১ এ একবার স্বাধীন হয়েছিল। সেই সময় পশ্চিমা গোষ্ঠির বৈষম্য ছিলো। এখনো সেই বৈষম্য অবসান হয়নি। বৈষম্য দিনে দিনে বেড়েছে। আমরা চাই বৈষম্যহীন একটি সমাজ গড়তে। রোববার (১৮ জানুয়ারী)বিকেলে নাটোর জেলা কালেক্টরেট চত্তরে ‘ হ্যাঁ ’এর ভোটের গাড়ি’ পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা মিজ্ নূরজাহান বেগম সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় উপদেষ্টা আরো বলেন, ২৪শে যে গণ আন্দোলন হলো, সে আন্দোলনের ফসলই হলো আজকের এই পরিবর্তন। সে সময় আমাদের প্রায় ১৪ হাজার ছেলে মেয়ে আহত হয়েছে। ৩২ জন হাত অথবা পা হারিয়েছে, ২২ জন অন্ধ হয়েছে। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা কি পেলাম। মুক্তিযুদ্ধ যখন হলো তখন আমাদের আশা ছিলো আমরা একটি সুন্দর বৈষম্যহীন সমাজ পাবো। কিন্তু আমরা কি পেলাম। যেখানে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ থাকবেনা। নিরাপদে বসবাস করতে পারবো। বৈষম্যহীন ভাবে আমাদের ছেলে মেয়েদের স্কুলে কলেজে পাঠাতে পারবো। অনেক আশা নিয়ে বাংলাদেশ তখন তৈরি হয়েছিলো। সে আকাঙ্খার প্রতিফলন হয়নি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য সচিব সাইদুর রহমান, স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক হাবিবুর রহমান, জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব, সিভিল সার্জন ডাঃ মোক্তাদির আরেফিন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবুল হায়াতসহ সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

‘হ্যাঁ ’এর ভোটের গাড়ি পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন গণভোট-২৬ বিষয়ে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা।

 

জনপ্রিয় খবর
blank

বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে ইউনিয়ন আমীরসহ আহত ১০॥ ১২টি বাড়ি-দোকান ভাংচুর ॥ আটক চার

আমরা বৈষম্যহীন একটি সমাজ গড়তে চাই: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
blank

বাংলাদেশ ৭১ এ একবার স্বাধীন হয়েছিল। সেই সময় পশ্চিমা গোষ্ঠির বৈষম্য ছিলো। এখনো সেই বৈষম্য অবসান হয়নি। বৈষম্য দিনে দিনে বেড়েছে। আমরা চাই বৈষম্যহীন একটি সমাজ গড়তে। রোববার (১৮ জানুয়ারী)বিকেলে নাটোর জেলা কালেক্টরেট চত্তরে ‘ হ্যাঁ ’এর ভোটের গাড়ি’ পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা মিজ্ নূরজাহান বেগম সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় উপদেষ্টা আরো বলেন, ২৪শে যে গণ আন্দোলন হলো, সে আন্দোলনের ফসলই হলো আজকের এই পরিবর্তন। সে সময় আমাদের প্রায় ১৪ হাজার ছেলে মেয়ে আহত হয়েছে। ৩২ জন হাত অথবা পা হারিয়েছে, ২২ জন অন্ধ হয়েছে। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা কি পেলাম। মুক্তিযুদ্ধ যখন হলো তখন আমাদের আশা ছিলো আমরা একটি সুন্দর বৈষম্যহীন সমাজ পাবো। কিন্তু আমরা কি পেলাম। যেখানে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ থাকবেনা। নিরাপদে বসবাস করতে পারবো। বৈষম্যহীন ভাবে আমাদের ছেলে মেয়েদের স্কুলে কলেজে পাঠাতে পারবো। অনেক আশা নিয়ে বাংলাদেশ তখন তৈরি হয়েছিলো। সে আকাঙ্খার প্রতিফলন হয়নি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য সচিব সাইদুর রহমান, স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক হাবিবুর রহমান, জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাব, সিভিল সার্জন ডাঃ মোক্তাদির আরেফিন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবুল হায়াতসহ সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

‘হ্যাঁ ’এর ভোটের গাড়ি পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন গণভোট-২৬ বিষয়ে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা।