ঢাকা শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অসতর্কতার করুণ পরিণতি: চাটমোহরে বালতির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

blank

খেলার ছলে পানিভর্তি বালতির কাছে যাওয়াই কাল হলো দুই বছরের শিশু ইয়ারুলের। পাবনার চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের কুমারগাড়া জামাইপাড়া গ্রামে সোমবার ( ১৯ জানুয়ারি)  দুপুরে এক হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে শিশুটি। মৃত ইয়ারুল হোসেন ওই গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিশু ইয়ারুল বাড়ির পাশে প্রতিবেশী সাবান আলীর বাড়িতে যায়। বাড়ির উঠোনে রাখা ছিল পানিভর্তি একটি বালতি। কৌতূহলবশত ইয়ারুল সেই বালতির পানি নিয়ে খেলা শুরু করে। দুর্ভাগ্যবশত, ওই সময় বাড়ির লোকজন উঠোনের বাইরের কাজে ব্যস্ত থাকায় বিষয়টি কারও নজরে আসেনি।

বেশ কিছুক্ষণ পর বাড়ির লোকজন ভেতরে প্রবেশ করলে ইয়ারুলকে বালতির ভেতরে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন। অচেতন অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চাটমোহর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নয়ন কুমার সরকার জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং বিষয়টি দুর্ঘটনা হিসেবে প্রতীয়মান হওয়ায় যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

এমএসিপিএম : যেখানে একসাথে পড়েন সামরিক, পুলিশ, আইনজীবী ও কর্পোরেট কর্মকর্তারা

অসতর্কতার করুণ পরিণতি: চাটমোহরে বালতির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০৫:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
blank

খেলার ছলে পানিভর্তি বালতির কাছে যাওয়াই কাল হলো দুই বছরের শিশু ইয়ারুলের। পাবনার চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের কুমারগাড়া জামাইপাড়া গ্রামে সোমবার ( ১৯ জানুয়ারি)  দুপুরে এক হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে শিশুটি। মৃত ইয়ারুল হোসেন ওই গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিশু ইয়ারুল বাড়ির পাশে প্রতিবেশী সাবান আলীর বাড়িতে যায়। বাড়ির উঠোনে রাখা ছিল পানিভর্তি একটি বালতি। কৌতূহলবশত ইয়ারুল সেই বালতির পানি নিয়ে খেলা শুরু করে। দুর্ভাগ্যবশত, ওই সময় বাড়ির লোকজন উঠোনের বাইরের কাজে ব্যস্ত থাকায় বিষয়টি কারও নজরে আসেনি।

বেশ কিছুক্ষণ পর বাড়ির লোকজন ভেতরে প্রবেশ করলে ইয়ারুলকে বালতির ভেতরে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন। অচেতন অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চাটমোহর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নয়ন কুমার সরকার জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং বিষয়টি দুর্ঘটনা হিসেবে প্রতীয়মান হওয়ায় যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।